রবিবার, মে ১৯, ২০২৪
Homeটাঙ্গাইল জেলাঘাটাইলঅষ্টমবারের মতো পেছাল এমপি রানার অভিযোগ গঠনের শুনানি

অষ্টমবারের মতো পেছাল এমপি রানার অভিযোগ গঠনের শুনানি

 

নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্ক:

টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি অষ্টমবারের মতো পিছিয়েছে। মামলার প্রধান আসামি টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে আদালতে হাজির না করায় বুধবার অভিযোগ গঠনের শুনানি ফের পিছিয়েছে। এর আগেও সাতবার এমপি রানাকে আদালতে হাজির না করায় মামলার অভিযোগ গঠন পিছিয়েছে।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান জানান, প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১-এর বিচারক আবুল মনসুর মিয়ার আদালতে বুধবার শুনানি গঠনের তারিখ ধার্য ছিল।

কিন্তু কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে আদালতকে জানানো হয়, সাংসদ আমানুর পাইলসে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাকে কারাগার থেকে আদালতে নেয়ার মতো অবস্থা নেই বলে কারাগারের চিকিৎসক জানিয়েছেন। তাই তাকে হাজির করা যায়নি। পরে আদালত অভিযোগ গঠনের জন্য আগামী ৬ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ ধার্য করেন।

এছাড়া বাদী পক্ষে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের ও আইন বিষয়ক সম্পাদক এস আকবর খান শুনানিতে অংশ নেন।

দীর্ঘ ২২ মাস পলাতক থাকার পর এমপি রানা গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর এ আদালতেই আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে। বেশ কয়েক দফা উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালতে আবেদন করেও জামিন পাননি তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে জেলা আওয়ামী লীগের নেতা ও বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদকারী ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ টাঙ্গাইলে তার কলেজপাড়া এলাকায় বাসার সামনে পাওয়া যায়।

ঘটনার তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমদ টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়। প্রথমে থানা পুলিশ ও পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মামলার তদন্ত শুরু করে।

২০১৪ সালের আগস্টে এ মামলার আসামি আনিসুল ইসলাম ওরফে রাজা ও মোহাম্মদ আলী গ্রেফতার হন। আদালতে তাদের স্বীকারোক্তিতে এমপি আমানুর রহমান খান রানা ও তার তিন ভাইয়ের জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। এরপর থেকে আমানুর ও তার ভাইয়েরা আত্মগোপনে চলে যান।

গত বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি আমানুর, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাঁকন ও ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়।

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

- Advertisement -
- Advertisement -