চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের কন্টেইনার ডিপোতে দগ্ধ হয়েছেন চারশো অধিক মানুষ। নিহত হয়েছেন প্রায় ১৬ জন। আরও ক’জন নিহত হয়েছে তা সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না। আগুন নেভানোর জন্য ফায়ার সার্ভিসের ২৪ টি ইউনিট কাজ করছে।
আহতদের মধ্যে ইতিমধ্যে ১৯ জনকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের এক উদ্ধারকারী দলের কর্মকর্তা বলেন যেভাবে বিস্ফোরণ হচ্ছে তাতে ভিতরে থাকা সম্ভব নয়। আগুনের গতি এতোই বেশি যে আদেও কতক্ষনে তা বাগে আনা সম্ভব তা সঠিক বলা যাচ্ছে না।
প্রাথমিকভাবে ক্যামিক্যাল কন্টেইনার থেকে আগুন লাগার ঘটনা সামনে এসেছে। উপরন্তু জলের সমস্যা বড়ো আকার নিয়েছে। বেগ পেতে হচ্ছে আগুন নেভাতে। রাত ২ টোর পরে জলের সমস্যা আরও বাড়ে। এরপর ভোর ৪ টের দিকে ফের বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া যায়।
যে হাসপাতালে ইতিমধ্যে দগ্ধরা চিকিৎসাধীন সেখানে আইসিইউ বেডের সংখ্যা মাত্র ১৯। এরপর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে রাতের বেলাই ডাক্তার হাসান শাহারিয়ার কবীর হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত ৮টার দিকে বিএম কন্টেইনার ডিপোর লোডিং পয়েন্টের ভেতরে আগুনের সূত্রপাত হয়। কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রথমে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। রাত পৌনে ১১টার দিকে এক কন্টেইনার থেকে অন্য কন্টেইনারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। একটি কন্টেনারে রাসায়নিক থাকায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, স্থানীয় শ্রমিকসহ অনেকে হতাহত হন। অবস্থা কতক্ষনে নিয়ন্ত্রণে আসবে বলা যাচ্ছে না এখনই।

