অনলাইন থেকে: মহান স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তীতে সরকারের আমন্ত্রণে দুইদিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছেন ভারতের ১৪তম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ শুক্রবার বেলা ১১ টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনি প্রবেশ করলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে স্বাগত জানান। এসসয় দুই দেশের মন্ত্রী পরিষদসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তারপর সেখানেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি সংক্ষিপ্ত সৌজন্যমূলক কৌশল বিনিময় করেন। এরপর কড়া নিরাপত্তায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ঢাকার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বেলা ১১ টা ৪৫ মিনিটের দিকে প্রবেশের পর শহীদের স্মরণে শহীদ বেদি স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করে শহীদদের আত্নার শান্তি কামনা করেন। পরে স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর শেষে স্মৃতিসৌধের আঙিনায় একটি অর্জুন গাছের চারা রোপণ করে বেলা ১২টা ১০ মিনিটে স্মৃতিসৌধ এলাকা ত্যাগ করেন।
জাতীয় স্মৃতিসৌধ ত্যাগ করার পূর্বে পরিদর্শন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বইয়েরর স্বাক্ষরে তিনি লেখেন- ‘আমি বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। তাঁর গৌরবময় ত্যাগ এই মহান জাতির জন্মকে সক্ষম করেছে। এই শ্রদ্ধা নিবেদনের প্রত্যেকটি দর্শনার্থী যারা নিহত হয়েছেন কিন্তু পরাজিত নন তাদের পবিত্র স্মরণে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।’
নরেন্দ্র মোদি আরও লেখেন- ‘তাদের (শহীদ) বীরত্ব প্রেরণা অব্যাহত রাখবে ভবিষ্যতের প্রজন্ম অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং ন্যায়পরায়ণতার কারণটিকে রক্ষা করতে। ভারতের জনগণের পক্ষে, আমি প্রার্থনা করি যে, সাভারে চিরন্তন শিখাটি সত্যের মহৎ বিজয়ের স্মরণীয় স্মৃতি হয়ে থাকবে এবং সিদ্ধান্ত ও নিপীড়নের জন্য সৌজন্যময়।’
এদিকে, সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে নরেন্দ্র মোদির শ্রদ্ধা নিবেদনের কেন্দ্র করে সকাল ৮টা থেকে স্মৃতিসৌধের ভেতর থেকে সর্বসাধারণকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ফলে প্রায় ৪ ঘণ্টা জনসাধারণ প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়। এছাড়াও শুক্রবার ভোর রাত থেকেই থেকেই স্মৃতিসৌধ এলাকাসহ ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়।

