বুধবার, জুন ১২, ২০২৪
Homeটাঙ্গাইল জেলাটাঙ্গাইলে দু’পক্ষের মারামারি, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে লাশ হলেন যুবক

টাঙ্গাইলে দু’পক্ষের মারামারি, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে লাশ হলেন যুবক

  • নিজস্ব প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে একটি স্কুলে নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে মারামারি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জনি মিয়া (২৩) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৯ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার লাউহাটি বাজারের আমিন মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে। জনি উপজেলার হেরন্ড পাড়া গ্রামের মো. বাদশা মিয়ার ছেলে। তিনি লাউহাটি বাজারের অটোস্ট্যান্ডে লাইনম্যানের কাজ করতেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ক‌য়েক‌দিন আগে লাউহাটি এম আজহার মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি প‌দে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে লাউহাটি এবং হেরন্ড পাড়া এলাকার দুইজন প্রার্থী নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষার ‌দিন ফলাফল ঘোষণা করে হেরেন্দ্র পাড়া এলাকার পরীক্ষার্থীর হওয়ার ঘোষণা দেন স্কুল কর্তৃপক্ষ।

এসময় লাউহাটি এলাকার লোকজন অনৈতিকভাবে নিয়োগ হওয়ার অ‌ভি‌যোগ ক‌রেন। পরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র ক‌রে দুই পাড়ার লোকজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডার সৃ‌ষ্টি হয়। একপর্যা‌য়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘ‌টে। ঘটনার তিন দিন পর একই বিষয় নিয়ে দুই পাড়ার লোকজনের মাঝে সংঘর্ষ তৈরি হয়। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়ে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়।

সোমবার রা‌তে লাউহাটি সিএনজি স্ট্যান্ডে হেরন্ড পাড়ার জনিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে লাউহাটি এলাকার হামিদ মিয়ার ছেলে সুইফ ও একই এলাকার প্রান্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে পেছন থেকে অতর্কিতভা‌বে আক্রমণ ক‌রে কু‌পি‌য়ে গুরুত্বর আহত ক‌রে। স্থানীয়রা এগি‌য়ে গে‌লে তারা চ‌লে যায়। প‌রে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জনিকে মৃত ঘোষণা করেন।

জনির চাচা মজিবর রহমান জানান, কিছুদিন আগে স্কুলে নিয়োগ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে লাউহাটি ও হেরেন্দ্র এলাকায় একাধিকবার দুই গ্রামের যুবকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। বিষয়টি মিমাংসার চেষ্টা করা হয়। সোমবার সন্ধ্যায় জনি আমিন মার্কেটে জুয়েলের মোবাইল ও ফ্লেক্সিলোডের দোকানে যায় কিছু কেনার জন্য।

এসময় লাউহাটি এলাকার কয়েকজন যুবক জনিকে পেছন থেকে ছুরিকাঘাত করে। পরে মার্কেটের লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায় এবং জনিকে গুরুত্বর অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় দেলদুয়ার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ও‌সি) নাসির উদ্দিন ও টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই মো. আতিকুর রহমান জানান, হাসপাতালে আনার পর জনির মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আইনিগত বিষয় প্রক্রিয়াধীন।

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

- Advertisement -
- Advertisement -