Site icon News Tangail | নিউজ টাঙ্গাইল

নতুন বছরে আসছে নতুন সরকার

আরও দক্ষতার সঙ্গে দেশ পরিচালনার জন্য শেখ হাসিনা তার নতুন মন্ত্রিসভায় বড় চমক রাখতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী-উপমন্ত্রীদের দু-একজনের পদোন্নতি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে পুরোনোদের মধ্যে থেকে বাদ দেওয়া এবং নতুনদের অন্তর্ভুক্ত করার কাজটি বেশ জটিল হবে। দল ও জোটের বর্ষীয়ান নেতাদের পাশাপাশি নতুন মন্ত্রিসভায় নবীন নেতৃত্বও অগ্রাধিকার পাবে বলে মনে করছেন অনেকে। তবে বিদায়ী মন্ত্রিসভার ৫৩ সদস্যের মধ্যে বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা এবার বাদ পড়তে পারেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে। এ ছাড়া তৃণমূল পর্যায় থেকে জনপ্রিয় কয়েকজনকে মন্ত্রিসভায় আনা হতে পারে বলেও জানা গেছে।

মন্ত্রিসভা থেকে বাদ যাবার আলোচনায় আছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি এবারের সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হননি এবং তিনি অর্থমন্ত্রীও থাকছেন না। এ ব্যাপারটি নির্বাচনের আগে থেকেই মোটামুটি নিশ্চিত ছিল। তবে গতকাল তিনি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী চাইলে তিনি আরও এক বছর অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে চান।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থীরা ২৮৮টি আসনে বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ একাই ২৫৭টি আসনে বিজয় অর্জন করেছে। তারপর থেকেই চলছে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ এবং নতুন মন্ত্রিসভা নিয়ে নানামুখী আলোচনা। এমন প্রেক্ষাপটে চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে নতুন সরকার গঠন ও মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের নীতিনির্ধারকরা। তারা জানান, আগামিকাল বৃহস্পতিবার নবনির্বাচিত এমপিরা শপথ নেবেন। এর এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হতে পারে।

নির্বাচনে এত বড় বিজয়ের পরও তা উদযাপন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। এর পেছনে মূল কারণ, উদযাপন করতে গিয়ে সংঘাতের সৃষ্টি হতে পারে, হতে পারে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়াও। তাই উদযাপনের চেয়ে শৃঙ্খলা বজায় রাখাকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে দেশের সাধারণ মানুষেরা মনে করছে নতুন বছরে নতুন সরকার গঠনের মধ্যমে আওয়ামী লীগ এগিয়ে যাবে উন্নয়নের দৃঢ় প্রত্যয়ের সাথে।

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।
Exit mobile version