প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮ প্যানেলে (লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের পরবর্তীতে ধাপে ধাপে নিয়োগ) চান প্যানেলে চাকরিপ্রত্যাশীরা। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং মৌখিক সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণকারী সবাইকে প্যানেলভুক্ত করে অবিলম্বে নিয়োগ দেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
২০১৮ সালে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগে এবারই প্রথম সারাদেশ থেকে ২৪ লাখ পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে ৫৫ হাজার ২৯৫ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং ১৮ হাজার ১৪৭ জন চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হন। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে মৌখিক পরীক্ষায় ফেইল না থাকলেও মেধাক্রমে উপরে থাকা ১৮ হাজার ১৪৭ জন প্রার্থীকে চুড়ান্ত নিয়োগ দিলেও প্রায় ৩৭ হাজার ১৪৮ জন নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হন। প্যানেল প্রত্যাশীরা জানান শূন্য পদের সার্কুলার দিয়ে হাজার হাজার পদ শূন্য রেখেই শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শেষ হতে পারেনা।
প্যানেল প্রত্যাশীরা আরও জানান, ২০১০, ২০১২, ২০১৩ ও ২০১৪ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে প্যানেল গঠন করে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হলেও ২০১৮ সালের নিয়োগ কার্যক্রমে প্যানেল গঠনের জন্য এখনও পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ কার্যকরী কোনো প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। এছাড়াও প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনায় দীর্ঘ সময়ক্ষেপণ করা হয়।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮ প্যানেল প্রত্যাশী টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মনিরুজ্জামান পাপ্পু বলেন প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো মহামারী করোনার প্রভাবে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে এতে ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের অনেক বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে গেছে যা কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মতো দ্রুত তারা নিজেদের ক্ষতি নিজেরা পুষিয়ে নিতে পারবেনা।
যদিওবা ক্ষতি পুষিয়ে নেয়া দ্রুতই সম্ভব হতো কিন্তু প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে সারাদেশে চরম শিক্ষক ঘাটতি থাকায় আগামীদিনের প্রাথমিক সেক্টর পড়ালেখার দিক দিয়ে আরো ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে বলে উল্লেখ্য করেন।
তাই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম দীর্ঘ সময় না লাগিয়ে বরং প্যানেলের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দ্রুত দিয়ে এই সেক্টরের ক্ষতি পুষিয়ে নিয়ে মুজিব শতবর্ষে বাচ্চাদের ভবিষ্যৎ সুন্দর করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট প্যানেল প্রত্যাশীরা আহবান জানান।

