Site icon News Tangail | নিউজ টাঙ্গাইল

বগুড়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের নেই পর্যাপ্ত ত্রাণ

Indian farmers gather next livestock on a flood affected area in Ximolutola village, about 85 kilometers (53 miles) east of Gauhati, India , Saturday, Aug. 22, 2015. State authorities say that monsoon flooding has nearly 200,000 people to leave their homes and take shelter in state-run tents this week. The area is prone to flooding during the June-to-September monsoon season. (AP Photo/Anupam Nath) ORG XMIT: DEL118

নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্ক: বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। তবে ধীরগতিতে পানি কমায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও মানুষের দুর্ভোগ কমছে না। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নেয়া মানুষ আর গবাদি পশু একসঙ্গে বসবাস করছে। দুর্গম চরগুলোতে পানিবন্দী মানুষ পর্যাপ্ত ত্রাণের অভাবে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। বিশুদ্ধ পানি এবং গোখাদ্যের সবচেয়ে বেশি সংকট দেখা দিয়েছে।
শনিবার সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত যমুনা নদীর পানি ১২ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ১১৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নেয়া মানুষগুলো ত্রাণ পেলেও দুর্গম চরে আটকে পড়া লোকজন পর্যাপ্ত ত্রাণ পাচ্ছে না। সারিয়াকান্দি উপজেলার যমুনার দুর্গম চর কাজলা ইউনিয়নের বেনুপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য পুটু নিউজ টাঙ্গাইলকে জানান, এই গ্রামের ১৬০ পরিবার গবাদি পশু নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। শনিবার পর্যন্ত তারা কোনো প্রকার ত্রাণ সহযোগিতা পায়নি। তিনি জানান, পানিবন্দী মানুষগুলো এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ভাত খেতে পারছে না। অন্যদিকে গবাদি পশুগুলো খাবারের অভাবে হাড্ডিসার হয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও জানান, কাজলা ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ সরকার গত সাড়ে তিন বছরে একবারও চরে আসেননি। তবে কাজলা ইউপি চেয়ারম্যান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কাজলা ইউনিয়নে ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছানো হয়েছে। তিনি জানান, অনেকে বার বার ত্রাণ নেয়ার জন্য মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে।
বোহাইল চরের বাসিন্দা লিটন সরকার জানান, তাদের এলাকার মানুষ এখনো মানবেতর জীবনযাপন করছে। এখনো অনেকেই ত্রাণ পায়নি।
   বোহাইল ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ জানান, ত্রাণ পৌঁছানো হচ্ছে। কিন্তু মানুষের বড় সমস্যা হচ্ছে বিশুদ্ধ পানি এবং স্যানিটেশন নিয়ে।
সারিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান জানান, প্রতিদিনই ত্রাণ দেয়া হচ্ছে। দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছানো যাচ্ছে না। ৫ হাজার পানিবন্দী পরিবারকে শুকনো খাবার এবং ১৫ হাজার পরিবারকে ১৫ কেজি করে চাল দেয়া হয়েছে।
বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্যা কবলিত সোনাতলা, সারিয়াকান্দি ও ধুনট উপজেলায় ৩১ হাজার ৫৮৫ পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তিন উপজেলায় দুই হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার, ৩৩৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আরও ৫০০ মেট্রিক টন চাল এবং ১০ হাজার শুকনো খাবার প্যাকেট বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।
Exit mobile version