- নিজস্ব প্রতিবেদক: মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে রাতুল (৪১)। কখনো র্যাব-১২’র সিও, পুলিশের এএসপি, ৩২তম বিসিএস ক্যাডার ইত্যাদি পরিচয়ে চাকুরি দেওয়া, নিলামে কম দামে গাড়ি কিনে দেওয়া এবং আবার কখনো আশ্রায়ণ প্রকল্পে ঘর পাইয়ে দেওয়াসহ নানাভাবে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল সে।
এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার (২০ আগস্ট) রাতে টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে টাঙ্গাইল র্যাব-১২’র সিপিসি-৩ এর কোম্পানী সদস্যদের হাতে আটক হয়েছেন তিনি।
আটককৃত মো. মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে রাতুল ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার রান্দিলা ধলিয়া গ্রামের মো. আবুল হোসেনের ছেলে।
রবিবার (২১ আগস্ট) বেলা ১১ টার দিকে টাঙ্গাইলের র্যাব-১২’র সিপিসি-৩ এর কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,
মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান জানান, দুই সপ্তাহ আগে মোস্তাফিজুর রহমানের প্রতারণার বিষয়ে কয়েকজন র্যাবের কাছে অভিযোগ দেয়। পরে র্যাব বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে শনিবার রাতে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে আটক করে।
মোস্তাফিজুর রহমান বিভিন্ন সময়ে নিজেকে র্যাব-১ এর সিও, পুলিশের এএসপি, ৩২তম বিসিএস ক্যাডার, দুদক চেয়ারম্যানের আত্মীয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেছে এমন পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন লোকজনকে প্রলোভিত করতেন। তার বিরুদ্ধে ২০০৭ সালে ময়মনসিংহ সদর থানায় প্রতারণা মামলা রয়েছে।
তার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর দেওয়া, বিদেশে লোক পাঠানো ও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি দেওয়ার কথা বলে প্রায় ১৫-২০ জনের কাছ থেকে ৫০-৬০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এ সময় তার কাছ থেকে একটি ওয়াকিটকি সেট, জনতা ব্যাংকের দুটি চেক, তিনটি মামলার এজাহার কপি, বায়োডাটা ও তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।
