Site icon News Tangail | নিউজ টাঙ্গাইল

ভূঞাপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে যেভাবে ধরা পড়ে ১০৮ রাজাকার

ছবি: ইন্টারনেট।

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭১ সালের ৮ অক্টোবর। এই দিনে কাদেরিয়া বাহিনীর কোম্পানি কমান্ডার খন্দকার হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্থানীয় ৫০-৬০ জন মুক্তিযোদ্ধাসহ প্রায় ৫ শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরকে পাক হানাদার মুক্ত করতে চারদিক থেকে আক্রমণ চালায়। তখন মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র আক্রমণে হানাদার বাহিনী পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে ধরা পড়ে ১০৮ জন রাজাকার। উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ। সে দিনটি উপজেলাবাসীর কাছে যেমন আনন্দ ও গর্বের, তেমনি বেদনারও। ওই দিন সম্মুখ যুদ্ধে শহীদ হন উপজেলার পৌর এলাকার ছাব্বিশা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আব্দুল কদ্দুস ও ঘাটাইল উপজেলার খায়ের পাড়া গ্রামের আব্দুস ছালাম।

স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আব্দুল কদ্দুস ও আব্দুস ছালামের স্মরণে প্রতি বছর ৮ অক্টোবর পালিত হয়ে আসছে ভূঞাপুর পাক হানাদার মুক্ত দিবস। প্রতিবারের মত এবারও এ দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করছে উপজেলা মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা পরিষদ। দিবসটি উপলক্ষে শনিবার (৮ অক্টোবর) সকালে ভূঞাপুর পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়কে র‌্যালি শেষে ভূঞাপুর পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে নির্মিত শহীদ কদ্দুস স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তক অর্পণ করা হয়। এরপর উপজেলা স্বাধীনতা কমপ্লেক্সে আলোচনা সভার আয়োজন করে সংগঠনটি।

শহীদের স্মরণে আলোচনা সভায় উপজেলা মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা পরিষদের সভাপতি শফিকুল ইসলাম মুকুলের সভাপতিত্বে ও অ্যাডভোকেট জাহিদ সাম্সের সঞ্চালনায় অতিথি ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুদুল হক মাসুদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট শামছুল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা খোদাবক্স মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা সামাদ গা-মা, অধ্যাপক মির্জা মহীউদ্দিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান মিয়া, ভূঞাপুর প্রেসক্লাব সভাপতি শাহ্ আলম প্রামাণিক, ক্রীড়া সংগঠক শাহজাহান মিয়া ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মামুন তরফদার প্রমুখ।

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।
Exit mobile version