শনিবার, জুন ১৫, ২০২৪
Homeটাঙ্গাইল জেলাভূঞাপুর উপজেলা নির্বাচনে হেরে ভোট কারচুপির অভিযোগ করলেন বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা

ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাচনে হেরে ভোট কারচুপির অভিযোগ করলেন বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ষষ্ঠ উপজেলা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে গত ২১ মে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়ে ভোট কারচুপি ও নানা অনিয়মের অভিযোগ করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার বাবলু।

একইসঙ্গে নির্বাচন ও ফলাফল প্রত্যাখ্যানসহ ভোট নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার বাবলু ঘোড়া প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। তিনি উপজেলা বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি। বৃহস্পতিবার দুপুরে ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয় চত্বরে এমন অভিযোগ করেন তিনি।

ক্ষোভ প্রকাশ করে বাবলু বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্বাসে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম এবার যেহেতু দলীয় প্রতীক থাকছে না তাহলে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা হস্তক্ষেপ করে অনিয়ম ও কারচুপি করে এমপি সমর্থিত প্রার্থীকে জয়ী করেছেন। আমি মনে করি, এই উপজেলা নির্বাচনে ৫ থেকে ৭ শতাংশ মানুষ ভোট দেয়নি। এভাবে নির্বাচন হলে আগামীতে কোনো নির্বাচনেই জনগণ কেন্দ্রে ভোট দিতে যাবেন না।

নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেন, সকাল ৮টা থেকে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ চললেও দুপুরের পর থেকে ক্ষমতাসীন দলের লোকজন ছোট-ছোট বাচ্চাদের দিয়ে একাধিকবার ভোট প্রদান করিয়েছেন। এছাড়া আমার এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছে ও ভোটারদের কেন্দ্রে না যেতে হুমকি প্রদান করেছে। এটাকে নির্বাচন বলা যায় না।

মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার বাবলু আরও বলেন, উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের ইউপি চেয়ারম্যান ছিলাম। নির্বাচনের আগে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি পদসহ প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে আমাকে বহিষ্কার করা হয়। দলের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান রেখে তিনি বলেন, আমি বিএনপির একজন আদর্শ ক্ষুদ্র কর্মী ও সমর্থক হয়ে আজীবন থাকতে চাই।

গত মঙ্গলবার ২১ মে দ্বিতীয় ধাপে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার বাবলু ঘোড়া প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ৩ হাজার ১০৫ ভোট পেয়ে জামানত হারান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে মোছা. নার্গিস বেগম ৩০ হাজার ৩৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। এছাড়া বিজয়ী প্রার্থী মোছা. নার্গিস বেগমের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফিরোজ চৌধুরী হেলিকপ্টার প্রতীক নিয়ে পান ৫ হাজার ৮৩৯ ভোট, আমিরুল ইসলাম তালুকদার বিদ্যুৎ পান ৪৫১ ভোট এবং তাহেরুল ইসলাম তোতা পান ১০৫ ভোট। যদিও প্রতীক বরাদ্দের পর বিদ্যুৎ ও তোতা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন।

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

- Advertisement -
- Advertisement -