নিজস্ব প্রতিনিধি : কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছে, দেশের ও জাতির জন্য মধুপুরের বন খুব গুরুত্বপূর্ণ। এ বন এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। একে রক্ষা করার অনেক চেষ্টা করা হয়েছে। দুই ধাপে প্রায় ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্প করে বন ধ্বংসের ভূমিকায় থাকাদের নিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় ধ্বংস কিছুটা ঠেকানো গিয়েছিল। বনের চেহারার ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছিল।
কৃষিমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিগণ দেশে দেশে ভ্রমণ করলেও মধুপুর বনে এসে একে রক্ষায় প্রয়োজনীয় বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণের সুযোগ তাদের হয়নি। তিনি বলেন, সংস্কৃতি সমৃদ্ধ মধুপুরের আদিবাসীরা বনে বিচরণ করে । বনেই তাদের বসবাস। এ বনকে তারা অন্তর দিয়ে ভালোবাসে। তাদের রক্ষা করা গেলে বন রক্ষা পাবে। তিনি আরও বলেন- বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীর পৃথক সংস্কৃতিগুলোর চর্চা ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে হারানোর সুযোগ থাকবে না। বরং দেশের সংস্কৃতি আরও সমৃদ্ধ হবে।
বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমন্বয় পরিষদের আয়োজনে বৃহত্তর ময়মনসিংহ নৃ-তাত্তি¡ক জন উৎসব ২০১৯ শীর্ষক অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইলের মধুপুর জেলা পরিষদের অডিটরিয়ামে শনিবার কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ বাবু এমপি, জামালপুর সদরের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মোজাফফর হোসেন এমপি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ডা. কামরুল হাসান খান, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুস সামাদ, সমন্বয় পরিষদের মহা-সচিব রাশেদুল হাসান শেলী, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম, মধুপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফিউদ্দিন মনি, মেয়র মাসুদ পারভেজ, আদিবাসী নেতা অজয় এমৃ, ইউজিনন করেক, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান যষ্ঠিনা নকরেক প্রমুখ।

