ক্যারিয়ারের বেশির ভাগ সময় তিনি কাটিয়ে দিয়েছেন পার্শ্ব-নায়ক, নায়কের বন্ধু বা নিজের চিরায়ত ‘বিপদের বন্ধু’ খেতাব নিয়েই। এর ব্যত্যয় ঘটেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের মেষ ম্যাচেও। সাকিব, মুশফিক, এনামুলরা যখন প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।
এমনকি তামিমও স্বভাব বিরুদ্ধ খেলা খেলছে ঠিক তখনই ব্যাট হাতে হাজির মাহমুদউল্লাহ। উইকেটে সেট হওয়া তামিমের চাইতে তাকে বেশি ভয়ঙ্কর মনে হচ্ছিলো তাকে। সেঞ্চুরি করে তামিম বিদায় নিলেন।
চমক দিয়ে মাশরাফি উইকেটে এসে ঝড় তুলে বিদায় নিলেন। আর শেষটায় রিয়াদ ঝড় তুলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো তিনশ রানের সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। ৪৯ বলে পাঁচ চার ও তিন ছক্কায় ৬৭ রানে অপরাজিত থাকেন মাহমুদউল্লাহ।
মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ বাংলাদেশে ক্রিকেটের এক উজ্জল নক্ষত্র। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির গ্রুপ পর্বের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করে আবার আলোচনায় তিনি। ২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকে বাংলাদেশ দলের নিয়মিত সদস্য রিয়াদ।
তবে তাকে নিয়ে আলোচনার চেয়ে সমালোচনা সম্ভবত বেশি হয়। বেশির ভাগ ক্রিকেটপ্রেমী মানুষ নায়কদেরকে পছন্দ করে। আর লাইমলাইটে নায়করাই থাকেন। পার্শ্বনায়করা সবসময়ই পর্দার আড়ালেই থেকে যান।
তেমনি বাংলাদেশ দলের যদি কোনো পার্শ্বনায়কের নাম বলতে হয় তাহলে সবার আগে আসে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ক্রিকেটে যদি পার্শ্বনায়কের কোনো পুরস্কার থাকতো তাহলে মাহমুদুল্লাহই সবচেয়ে বেশি বার পেতেন, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
বর্তমান বাংলাদেশ দলে অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান রিয়াদ। এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু যথাযথ মূল্যায়ন কী পেয়েছেন তিনি? কোটি কোটি ক্রিকেট ভক্তের মনে এই প্রশ্ন। কতবার যে তিনি বাংলাদেশকে খাদের কিনারা থেকে তুলেছেন তার ইয়াত্তা নেই। তবুও তিনি পার্শ্ব নায়ক!
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।
