মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) মাত্র ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী টিকার আওতায় এসেছেন। বাকি ৮০ শতাংশের মধ্যে ৫৬ শতাংশ শিক্ষার্থী রেজিষ্ট্রেশন করেও অপেক্ষমান রয়েছেন।
গত ১লা সেপ্টেম্বর হতে চারটি শিক্ষা বর্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনলাইনে এই জরিপটি করা হয়। চারটি শিক্ষাবর্ষের প্রায় সাড়ে তিন হাজার শিক্ষার্থীদের মধ্যে জরিপটিতে ১০২৭ জন সাড়া দেন।
জরিপে ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ (১৬০জন) শিক্ষার্থীর এনআইডি কার্ড নেই, রেজিস্ট্রেশন করে অপেক্ষামান আছেন গড়ে ৫৬ ভাগ (৫৭৪ জন) শিক্ষার্থী, রেজিস্ট্রেশন এখন করেননি এমন শিক্ষার্থী রয়েছে ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ (১৬০ জন)।
১০২৭ জনের মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৬৯ জন এবং দুইটি ডোজ নিয়েছেন ৫১ জন। বাকী ১ দশমিক ৩ শতাংশ বিভিন্ন ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে টিকা নিতে পারেননি।
এদিকে গত ৩১ মে ৩৮টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় এক লক্ষ আবাসিক শিক্ষার্থীদের তালিকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। এরপর থেকে সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রম চালু হয়। তন্মধ্যে মাভাবিপ্রবির ৯৮৮ জন শিক্ষার্থীর একটি তালিকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করা হয়। এরপর কয়েকবার সকল শিক্ষার্থীদের এনআইডি কার্ড নাম্বার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নেয়ার পরেও কেউ রেজিস্ট্রেশন করতে পারছিলেন না।
সম্প্রতি শিক্ষার্থীরা জানান, ১৮ বছর বয়সীদের টিকা রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ আসায়, তারা রেজিস্ট্রেশন করতে পেরেছেন।
বেশিরভাগ শিক্ষার্থী দ্রুত টিকাদান সম্পন্ন করে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার দাবি জানান।
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।
