এম সাইফুল ইসলাম শাফলু : টাঙ্গাইলের সখীপুরে বংকী পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে ২০২০ সালের এসএসসি’র নির্বাচনী পরীক্ষায় ফেল করা ১৩ শিক্ষার্থীকে পূণরায় রাতের আধারে পরীক্ষা নিয়ে ফরম পূরণের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নজরে আসতে ফেল করা অন্য শিক্ষার্থীরা ওই পরীক্ষার পূর্বের রেজাল্ট শীড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) প্রচার করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্তকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তাদের অভিযোগ প্রধান শিক্ষক নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে রাতের আধারে পূণরায় পরীক্ষা নিয়ে তাদের ফরম পূরণ করছেন।
জানা যায়, গত ০৩ নভেম্বর প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর সম্বলিত ২০২০ সালের এসএসসি’র নির্বাচনী পরীক্ষার ফলাফল বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের সামনে টাঙ্গিয়ে দেওয়া হয়। ওই ফলাফল বোর্ডে নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩২ জন শিক্ষার্থী। পরীক্ষার ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগের মাত্র ২জন শিক্ষার্থী উর্ত্তীণ হলেও বাকী ৩০জন শিক্ষার্থীই একাদিক বিষয়ে ফেল করে।
ওই বিদ্যালয়ের অকৃতকার্য একাধিক শিক্ষাথী ও তাদের অভিভাবক জানান,বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল্লাহ আল মামুন এসএসসি’র নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য ৩০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৩ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে রাতের আধারে পূণরায় তাদের পরীক্ষা নিয়ে ফরম পূরণ করেন।
প্রধান শিক্ষক আবদুল্লাহ আল মামুন মুঠোফুনে বলেন, এসএসসির নির্বাচনী পরীক্ষায় কিছু অকৃকার্য শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ করা হয়েছে। তবে তিনি অতিরিক্ত টাকা ও রাতে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।
বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সাবেক পৌর কাউন্সিলর আব্দুল মালেক মিয়া বলেন- প্রধান শিক্ষককে নিবার্চনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য কয়েকজন শিক্ষার্থীকে ফরম পূরনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নিবার্হী অফিসার মো. আমিনুর রহমান ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মফিজুর ইসলাম একই সুরে বলেন- শিক্ষাবোর্ডের নির্দেশনা অনুসারে এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্যদের ফরম পূরণের কোন সুযোগ নেই। এ রকম কিছু ঘটে থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

