শনিবার, জুন ১৫, ২০২৪
Homeসখিপুরআমাদের সখীপুরসখীপুরে স্কুলের দাতা সদস্য বাতিলের দাবিতে এলাকাবাসীর বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ

সখীপুরে স্কুলের দাতা সদস্য বাতিলের দাবিতে এলাকাবাসীর বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ

এম সাইফুল ইসলাম শাফলু : টাঙ্গাইলের সখীপুরে বনের জমি স্কুলে দান করে দাতা সদস্য হওয়ার অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কালিয়ানপাড়া গ্রামের হাজী মোহাম্মদ লোকমান হোসেনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়। তিনি জীবদ্দশায় স্থানীয় ৪২নং কীর্ত্তণখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৪৫৪ দাগের দুইনং খতিয়ানের ৭০ শতাংশ জমি দান করেন। দানকৃত জমিটি বন বিভাগের হলেও ভাঙাসূত্রে মালিক একই গ্রামের বিশা মিয়া।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ১৯৬৫ সালে কালিয়ানপাড়া গ্রামের মৃত হাজী আকবর হোসেনের ছেলে হাজী মোহাম্মদ লোকমান হোসেন স্কুল প্রতিষ্ঠালগ্নে তার নিজ দখলকৃত জমি হতে ৭০ শতাংশ জমি অত্র বিদ্যালয়ের নামে লিখে দেন। জমিটি দান করলেও পরবর্তীতে জমি বুঝিয়ে না দিয়ে লোকমান হোসেনের বংশধরগণই ভোগ দখল করে আছেন। দানকৃত জমি বুঝিয়ে না দেওয়ায় গ্রামবাসী ওই দাতাকে স্কুলের দাতা সদস্য হতে বাতিল করার সুপারিশ করে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর গণস্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ করেন।

লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার কামাল লেবু এবং নির্বাহী কর্মকর্তা চিত্রা শিকারী একই সুরে বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক হামিদা বেগম বলেন, আমি জমির কাগজপত্র অতটা বুঝি না। এ ব্যাপারে জমিদাতা এবং স্থানীয় বিট কর্মকর্তা বলতে পারবেন বলে জানান।

কালিদাস বিট কর্মকর্তা মুস্তানুর রহমান বলেন, ১৪৫৪ দাগে বনবিভাগের এবং পাবলিকের জায়গার মধ্যে ডিমারগেশন করা নেই। স্কুলের জমিটি ওই দাগের ভেতর পরেছে কি না তা যাচাই-বাছাই করে দেখা হবে।

জমিদাতা হাজী মোহাম্মদ লোকমান হোসেনের  ছেলে আবদুল মান্নান দানকৃত জমিটি দাতাদের নয় স্কুলের দখলেই আছে বলে দাবি করেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রাফিউল ইসলাম বলেন,অচিরেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও কাগজপত্র পর্যালোচনা করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

- Advertisement -
- Advertisement -