অনলাইন থেকে: বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশারা হোসেন বলেছেন, আন্দোলন সংগ্রাম সফল করতে প্রথম বুলেটটা নেওয়ার জন্য আমি আমার বুক পেতে দিবো। বুধবার (১০ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর খিলগাঁও, তালতলা মার্কেট এর সামনে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আয়োজিত সমাবেশ তিনি এ কথা বলেন।
ইশরাক হোসেন বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও আমরা নিজেদের মধ্যে মারামারি, ক্ষমতায় যাওয়ার যে একটা লালসা সেখান থেকে আমাদের মাঝে বিবাদ, বিভাজন, বিরোধ, মারামারি হানাহানী করছি। এখানে লাভ কার হচ্ছে? এখানে একটি স্বার্থবাদী গোষ্ঠী, মাফিয়া গোষ্ঠী, ভূমিদস্যু যারা বিএনপির সময় ব্যবসা করেছে আওয়ামী লীগের সময়েও ব্যবসা করেছে, জমি দখল করেছে, বাংলাদেশের সম্পদ লুটপাট করেছে গরিব দুঃখী কৃষকদের সম্পদ লুটপাট করে তারা বিদেশে পাচার করে দিয়েছে।
তিনি বলেন, এই যে সাম্রাজ্যবাদীশক্তি আজকে আমাদের ঘাড়ের উপর এসে চেপে বসেছে ৫০ বছর পরে এসে আমি আপনাদেরকে বলতে চাই, তরুণ প্রজন্ম জেগে উঠেছে। আমরা এই সাম্রাজ্যবাদী শক্তি মেনে নেব না। আমি আপনাদেরকে কথা দিচ্ছি এই আন্দোলন সংগ্রাম সফল করতে এই রক্ষীবাহিনীর পতন ঘটাতে প্রথম বুলেটটা নেওয়ার জন্য আমি আমার বুক পেতে দিবো। পেছনের দিক দিয়ে পালিয়া যাবো না। আপনাদেরকে সাথে নিয়ে ইনশাআল্লাহ এই সাম্রাজ্যবাদী গোষ্টির পতন ঘাটাবো।
ইশরাক বলেন, জিয়াউর রহমানের যে খেতাব যেটা তিনি নিজে যুদ্ধ করে অর্জন করেছেন সেটা বাতিল করার চেষ্টা করছে সরকার। এইযে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী যিনি আছেন তিনি জিয়াউর রহমানের কবর অন্যত্র সরানোর মতো উদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যও প্রদান করেছেন। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং আমি বর্তমান প্রজন্মের আওয়ামী লীগের আমার বন্ধুরা এবং যারা দেশের নাগরিকরা আছেন তাদেরকে বলতে চাই আমাদের শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করে আপনাদের মাঝে যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে, বিভক্তি সৃষ্টি করছে আপনারা সেটা বন্ধ করুন। আমরা আগামীতে সকল জাতীয় নেতৃবৃন্দ এর প্রতি সন্মান প্রদর্শন করে জাতীকে ঐক্যবদ্ধ করে আগামীতে এগিয়ে যেতে চাই। আমরা সবাইকে তাদের যথাযথ সন্মান দিতে চাই।
উপস্থিত ছিলেন – স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, আমান উল্লাহ আমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা।
মহিলা দলের সভাপতি অফরোজা অব্বাস, যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু। বরিশালের মজিবর রহমান সরোয়ার, খুলনার নজরুল ইসলাম মঞ্জু, রাজশাহীর মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, চট্টগ্রামের শাহাদাত হোসেন, ঢাকা উত্তর সিটির তাবিথ আওয়াল প্রমুখ।

