মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
‘সভা-সমাবেশ করতে সরকারের অনুমতি নেয়া হবে না’ বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দেয়া এই বক্তব্যকে গণতান্ত্রিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণতন্ত্রে সরকারের অনুমতিতে সভা-সমাবেশ করতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
তিনি বলেন, আজ দেশে একটি অস্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছে। দেশের মানুষের স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি নেই। পেঁয়াজ আড়াইশ টাকা কেজি, আবার বাড়ছে চালের দাম। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষ বাঁচবে কীভাবে?
কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী দক্ষ হলেও তার আশপাশে যারা আছেন তারা মোটেও যোগ্য নয়। সরকার যেভাবে চলা দরকার সেভাবেও চলতে পারছে না। যার ফলে প্রধানমন্ত্রী একটি মারাত্মক চাপের মুখে আছেন। আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র ভারত। তবে পেঁয়াজ দিচ্ছে না, পেঁয়াজ পাঠাচ্ছে মালদ্বীপে।
তিনি বলেন, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসারত একজন অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট ছিড়ে ফেলা চিকিৎসক কীভাবে গত ৫ দিন যাবৎ চাকরিতে বহাল রয়েছেন? ওই ডাক্তারকে যারা রক্ষা করতে চাইবে তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা বীরপ্রতীক। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দলটির টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম রফিক, সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই, সাধারণ সম্পাদক এটিএম ছালেক হিটলুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

