নিউজ ডেস্ক:সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার খাষকাউলিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী মোহাম্মদ মোতালেব হোসেনের (৫৫) ভোট এখন টাঙ্গাইল পৌরসভায়। এ নিয়ে ওই প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার সকালে ওই প্রার্থী অভিযোগ করেন, তার অজান্তেই ভোট স্থানান্তর করা হয়েছে। এর আগেও বাঘুটিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীসহ ৬ বাসিন্দার নিজেদের অজান্তেই ২নং ওয়ার্ডে ভোটার স্থানান্তরিত করার অভিযোগ উঠেছিল।
জানা যায়, চৌহালীর খাষকাউলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ২০১১ সালে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন মোহাম্মদ মোতালেব। তিনি পশ্চিম খাষকাউলিয়া দক্ষিণ গ্রামের মৃত মোজাহার প্রামাণিকের ছেলে। চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে তিনি খাষকাউলিয়া ইউপির ২নং ওয়ার্ড থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেন।
রোববার ওই পত্র লিখিতভাবে পূরণের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র নং ও ভোটার তালিকা মিলিয়ে নিতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে বিপাকে পড়েন। সেখানে দেখেন ভোটার তালিকায় তার নাম নেই। পরে খুঁজে দেখে পাশের জেলা টাঙ্গাইল পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের ভাল্লুককান্দি মহল্লার ভোটার করা হয়েছে তাকে। অথচ মোহাম্মদ মোতলেব কখনও ভোটার স্থানান্তরে কোনো আবেদন করেননি। কিংবা তার কোনো আত্মীয়স্বজন বা পরিচিত কেউ সেখানকার ভোটার না।
এ বিষয়ে ওই প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী কর্মী ফারুক হোসেন জানান, ট্রেজারি চালান দিয়ে ইউপি সদস্য প্রার্থী মোতালেবের জন্য ফরম তোলা হয়েছিল। কিন্তু প্রার্থীর অজান্তেই তার ভোট টাঙ্গাইল পৌরসভায় স্থানান্তর করা হয়েছে। বিগত প্রায় ৯ বছর সুমানের সহিত মোতালেব মেম্বর দায়িত্ব পালন করেছেন। এবারও তিনি প্রার্থী হওয়ায় নির্বাচন অফিসের কর্তাদের যোগসাজশে কেউ এ কাজ করছে কিনা তদন্তের দাবি জানান তিনি।
এ ব্যাপারে চৌহালী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে আমাদের কোনো বক্তব্য নেই। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ভোটার স্থানান্তরিত করা হয়। টাঙ্গাইল নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করলে বিস্তারিত জানা যাবে।

