অনেক আগাছা পরগাছা জাতীয় দল নিয়ে এগোচ্ছে বিএনপি। বলা হচ্ছে বিএনপিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া বিভিন্ন জোটের কথা। বিভিন্ন জোটের কারণে বিপাকে পড়েছে বিএনপি সমর্থিত অন্যান্য প্রার্থীরা। বর্তমানে বিভিন্ন জোট ও বিএনপির দ্বন্দ্ব চরম পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে তাদের বিদ্বেষ পূর্ণ মনোভাব আরও বেশি ডালপালা ছড়াচ্ছে।
দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের নতুন দল ঐক্যফ্রন্ট। জনসমর্থের দিক থেকে পুরাতন দলের থেকে পিছিয়ে থাকবে বলে তারা যোগ দিয়েছে বিএনপির ছায়াতলে। তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকেই তারা প্রথম নির্বাচন করবেন। বিএনপিতে শুধু ঐক্যফ্রন্ট নয় ঐক্যফ্রন্টের মতো রয়েছে আরও অনেকগুলো দল। একাধিক দলের জোট মিলেই এগোচ্ছে বিএনপি। কথায় আছে, মানুষ যত বেশি ঝামেলাও তত বেশি। বিএনপির ক্ষেত্রেও হয়েছে ঠিক তেমন পরিস্থিতি। জোটের বিড়ম্বনায় ভুগছে বিএনপি।
বিএনপিতে একাধিক জোট থাকায় দিন দিন ঈর্ষান্বিত মনোভাব প্রকাশ পাচ্ছে। জোটের প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা নিয়ে চালাচ্ছে নানা রকম তাণ্ডব। ভাঙচুর করা হচ্ছে জোটের প্রার্থীদের অফিসে। নষ্ট করে দেয়া হচ্ছে জোটের প্রার্থীদের ব্যানার, ফেস্টুন। বর্তমানে নিজেদের ভেতর নানামুখী দ্বন্দ্বে জর্জরিত বিএনপি।
ঐক্যফ্রন্ট বিপদের দিনে বিএনপিকে প্রাণ সঞ্চার করেছে। এই তাণ্ডব ও হিংসার কবল থেকে রেহাই পায়নি এই ঐক্যফ্রন্টও। লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জে এস ডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব। তার নির্বাচনী অফিসে ভাঙচুর চালায় বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। শুধু ভাঙচুর করেই তারা ক্ষান্ত হননি। অফিসের আসবাবপত্র ভাঙচুরের পর তা ফেলে দেয়া হয় অফিসের বাহিরে এবং সেই অফিস তালা দিয়ে দেয়া হয়। বিএনপির তৃণমূল নেতাদের উদ্দেশ্য তাণ্ডব চালিয়ে জোট প্রার্থীদের নির্বাচনী সংক্রান্ত কার্যকলাপে বিঘ্ন ঘটানো। তাদের করা সকল ধরণের ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের দোষ দেয়া হচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের উপর।
অন্তঃকোন্দলের জের ধরেই তাণ্ডব চালাচ্ছে বিএনপি সমর্থিত তৃণমূলের নেতা কর্মীরা। আর তাদেরকে উস্কানি দিচ্ছে বিএনপির শীর্ষ স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এই কোন্দলময় দলের শেষ পরিণতি কী হয় তা দেখার অপেক্ষায় দেশবাসী।

