ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃস্বামীর ‘হার্ট অ্যাটাকে’ মারা গেছেন। তার লাশ নিয়ে বাড়িতে এসেছেন স্ত্রী, শাশুড়ি ও দাদি শাশুড়ি। কিন্তু লাশের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে সন্দেহ হয় পরিবারের। এরপর স্ত্রীসহ তাদেরকে আটক করে পুলিশে দেয় নিহতের পরিবার। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রী স্বীকার করেন, পরকীয়া প্রেমে বাধা দেওয়ায় স্বামীকে হত্যা করেছেন তিনি। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন প্রেমিক।
এমন ঘটনা ঘটেছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার কাজলা গ্রামে। সাগড়দিঘী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মনিরুজ্জামান আটককৃতদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানান।
নিহত প্রতীক হাসান ওই গ্রামের বিল্লাল মিয়ার ছেলে। দুই বছর আগে পার্শ্ববর্তী ঘোনারদেউলী গ্রামের লেবু মিয়ার মেয়ে লিজা আক্তারকে বিয়ে করেন। স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকার সাভারে বসবাস ও পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন তিনি।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- স্ত্রী লিজা আক্তার, নিহতের শাশুড়ি ফাতেমা ও দাদি শাশুড়ি লাকি আক্তার। মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ পরিদর্শক মনিরুজ্জামান বলেন, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। লিজার বক্তব্য অনুযায়ী লিজা এবং পরকীয়া প্রেমীক শাহীন শ্বাসরোধ করে তার স্বামী প্রতীক হাসানকে হত্যা করেছে। ঘটনাটি আশুলিয়া থানা এলাকায় ঘটেছে। তাই আমরা লিজাসহ আটক আরো দুইজনকে আশুলিয়া থানা পুলিশোর কাছে হস্তান্তর করেছি।
এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) প্রতীক হাসানের বাবা বিল্লাল হোসেন বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় মামলা করেছেন বলে জানান তিনি।
আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক কায়সার হামিদ জানান, লিজা তার প্রেমিক শাহীনসহ চারজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। লিজা, লিজার মা ফাতেমা ও দাদি লাকিকে গাজীপুর আদালতে মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। অপর আসামি লিজার প্রেমিক শাহীন পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।
