Site icon News Tangail | নিউজ টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইলে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তাহ ২

ছবি: নিউজ টাঙ্গাইল।

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০-২৫ বছর ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে চাঞ্চল্যকর কহিনূর মিয়া (৫৫) নামের এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা মামলার ঘটনায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইলের র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের সদস্যরা। শুক্রবার (১০ মার্চ) রাতে টাঙ্গাইল র‌্যাব-১৪ এর ৩ নং কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এরআগে বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) রাত ৩টার দিকে ববিন হায়দার চৌধুরী সাদীকে টাঙ্গাইল পলিটেকনিক এলাকা থেকে এবং রাত ১টার দিকে বায়েজিত বাজেকে ঘাটাইল উপজেলার মোমিনপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ঘাটাইল উত্তর ধলাপাড়া গ্রামের বজলুল হায়দার চৌধুরীর ছেলে ববিন হায়দার চৌধুরী (৫০)। তিনি ধলাপাড়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান। অপরজন হলেন একই গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে বায়োজিত (৬০)।

রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, র‍্যাবের একটি অভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া এলাকায় চাঞ্চল্যকর কোহিনূর হত্যা মামলায় এজহার নামীয় ৩নং আসামি ববিন হায়দার চৌধুরী সাদী ও ২নং আসামি বায়েজিত বাজেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান- বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে ববিন হায়দার চৌধুরী সাদীকে টাঙ্গাইল পলিটেকনিক এলাকা থেকে এবং রাত ১টার দিকে বায়েজিত বাজেকে ঘাটাইল উপজেলার মোমিনপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত এজহারনামীয় আসামিদের ঘাটাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের উত্তর ধলাপাড়া গ্রামের সামী চৌধুরীর সঙ্গে প্রতিবেশী কহিনুর মিয়ার জমি নিয়ে ২০-২৫ বছর ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বুধবার (৮ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে একই গ্রামের বাজেয়িদ, তারা মিয়া ও ইসমাইল কহিনুরকে ডেকে বায়েজিদের বাড়িতে নিয়ে আসে। এরপর বায়েজিদের বাড়িতে সামি চৌধুরীসহ কহিনুরের কথা কাটাকাটি হয়।

এরই এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে ধলাপাড়া বাজারে চিকিৎসক হাফিজ উদ্দিনের কাছে নিয়ে যায়। কহিনুরের বুকে চাপ অনুভব করায় তাকে ইসিজি করার পরামর্শ দেন এবং পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনায় নিহত কোহিনূরের ছেলে বাদী হয়ে ঘাটাইল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।
Exit mobile version