Site icon News Tangail | নিউজ টাঙ্গাইল

ট্রেনের ছাদে উঠে পানির ট্যাঙ্কিতে প্রস্রাব

News Tangail

ট্রেনের ছাদে উঠে পানির ট্যাঙ্কিতে প্রসাব করছেন এক যাত্রী। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য এই ঘটনাটি সামনে এনেছেন একজন অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবির মিলন। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি এখন ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র।

ট্রেনের কোচ কেনার সময় ছাদে যে মানুষ উঠবে সেটা মাথায় রেখেই ইন্দোনেশির কম্পানিকে অর্ডার দেয়া হয়েছে। অন্তত জাকার্তা পোস্ট তাই বলছে।

ইন্দোনেশিয়ার কয়েকজন সাংসদ পূর্ব জাভার মাদিয়ুনে অবস্থিত কারখানা পরিদর্শনে গেলে এক পার্শ্ব বৈঠকে ইনকার ফিনিশিং ম্যানেজার আগুং বুদিয়নো বলেন,  ‘বাংলাদেশের কেনা কোচগুলো আকারে বড়, দেয়াল পুরু ও ছাদ শক্তিশালী হবে। সাধারণ কোচের চেয়ে এগুলো অন্তত দুই গুণ মজবুত। যখন ট্রেনে প্রচণ্ড ভিড় হয়, যাত্রীরা ছাদে চড়েও ভ্রমণ করেন, তখন এ ধরনের বিশেষ মানদণ্ড বিবেচনায় রাখতে হয়। ইন্দোনেশিয়াতেও স্বল্প দূরত্বে যাতায়াতের জন্য যাত্রীরা ট্রেনের ছাদে চড়ে বসতেন। কিন্তু বর্তমানে এটি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।’

মিলন বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করে লিখেছেন, ‘তার মানে রেল ছাদে যাত্রী ওঠা বন্ধ হোক তা চায় না। রেল পিটি ইনকাকে নকশা সেভাবেই দিয়েছে। নিচের ছবির দায় তাহলে তো রেলকেই নিতে হবে। রেলকে নিশ্চয়তা দিতে হবে ছাদের কোন যাত্রী পানির ট্যাংকে মল মূত্র ত্যাগ করবে না। ছাদ থেকে কারো মালামাল ছিনতাই হবে না।’

তিনি বলেন, আমাদের লাল সবুজ এবং সাদা এমজি প্রতিটি কোচের ছাদে পানির ট্যাংকের ঢাকনি সিল করা নয়। নেই কোনও লক করার সিস্টেম। যে কেউ ঢাকনি খুলতে পারে। প্রতি ট্রেনের ছাদে যাত্রী থাকে। সরকারিভাবে ট্রেনের ছাদে যাত্রী ওঠাকে সাপোর্ট করা হয়, তা বিশ্বে বিরল। জানি না, বুলেট ট্রেনে বা ইলেকট্রিক ট্রেনের ছাদেও যাত্রী ওঠার সুযোগ রাখবে হয়ত আমাদের রেল, ভবিষ্যতে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ট্রেন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান পিটি ইন্ডাস্ট্রি কেরেতা এপি (ইনকা) বলছে, বাংলাদেশ তাদের কাছ থেকে ২৫০টি শক্তিশালী ট্রেনের কোচ কেনার জন্য অর্ডার করেছে।—কালের কণ্ঠ

নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।
Exit mobile version