নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্ক: ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে মঙ্গলবার রাত থেকে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। আজ বুধবার ভোর থেকে তা আরও বাড়ে। বেলা ১১টার দিকে আস্তে আস্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসতে থাকলেও তখনো যান চলাচলে ধীরগতি ছিল।
মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে চার লেনের কাজ, ঘন কুয়াশা ও একটি বাস দুর্ঘটনার কারণে যানজটের সৃষ্টি হয় বলে জানিয়েছেন চালক, যাত্রী ও হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা। যানজটে চালক ও যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মির্জাপুরের জামুর্কী এলাকায় পাবনাগামী কাভার্ড ভ্যানের চালক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, কদিমধল্যা থেকে ঠেলতে ঠেলতে ৩ মিনিটের রাস্তা ২৫ মিনিটে পাড়ি দিয়ে জামুর্কীতে এসেছেন। এখানে একই স্থানে প্রায় এক ঘণ্টা বসে আছেন।
মির্জাপুর থানা ও এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের সূত্র জানায়, টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী, নাটিয়াপাড়া ও বাঐখোলাসহ কয়েকটি স্থানে চার লেন মহাসড়কের পাতালপথ (আন্ডারপাস) নির্মাণের কাজ চলছে। একই কারণে পাকুল্যা, নাটিয়াপাড়া ও করটিয়া এলাকায় এক পাশ দিয়ে যানবাহন চলাচল করছে।
মঙ্গলবার রাতে ঘন কুয়াশা পড়তে থাকে। এসব কারণে রাত ১০টার পর থেকে ওই সব স্থানে যানবাহন ধীরগতিতে চলতে থাকে। ভোর সাড়ে চারটার দিকে টাঙ্গাইলের রাবনা বাইপাস এলাকায় ঢাকাগামী একটি বাস দুর্ঘটনায় পড়ে। এতে হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে আস্তে আস্তে যান চলাচল আবার শুরু হয়।
এরই মধ্যে মহাসড়কে যানজট দীর্ঘ হয়। একপর্যায়ে তা টাঙ্গাইলের রাবনা বাইপাস এলাকা থেকে মির্জাপুরের কদিমধল্যা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। এতে যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
জানতে চাইলে মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান ও এলেঙ্গা হাইওয়ে ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মো. কামাল হোসেন বলেন, মহাসড়কে চার লেনের কাজ চলার কারণে অনেক স্থানে এক পাশ দিয়ে গাড়ি চলাচল করছে। তার ওপর রাতে কুয়াশা পড়ছে। ভোরে রাবনা বাইপাসে হানিফ এন্টারপ্রাইজের একটি বাস দুর্ঘটনায় পড়েছে। এসব কারণে যানজট তৈরি হয়েছে। পুলিশ জট দূর করার চেষ্টা করছে। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।
