বাসাইল প্রতিনিধি :শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা বাসাইলে চলছে পল্লী বিদ্যুতের নানা ভেল্কিবাজি। তাপদাহে ঘণ্টার পর ঘন্টা লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। আবার কখনো কখনো দেখা যাচ্ছে মিস কল আদলের লোডশেডিং। সরকারের শতভাগ বিদ্যুতায়নকে কলঙ্কিত করতেই বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা ঠুনকো অজুহাতেই ঘণ্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ বন্ধ রাখছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগী গ্রাহকরা। গ্রাহকদের অভিযোগ দিনের বেলাতো আছেই রাতেও একই পরিস্থিতিতে ঘণ্টার পর ঘন্টা লোডশেডিংচলে। তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। দীর্ঘদিন ধরে বাসাইল পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে এমন কার্যকলাপ চললেও এর কোন প্রতিকার করার কোন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
কাঞ্চনপুর পশ্চিমপাড়ার রাকিব খান বলেন, দিনের বেলাতে বিদ্যুৎ না থাকলে এদিক সেদিক বসে কাটানো যায়। কিন্তু মধ্য রাতে যখন বিদ্যুৎ চলে যায় শিশু ও বৃদ্ধরা প্রচন্ড গরম সহ্য করতে না পেরে ছটফট করে।
সৈদামপুর এলাকার প্রণয় সরকার বলেন, কয়েকদিন ধরে প্রচুর গরম পরেছে। এরই মাঝে বার বার বিদ্যুৎ চলে যায়। দীর্ঘ সময় পার হলেও বিদ্যুতের দেখা মিলে না। অফিসে ফোন দিলে কেও ফোন ধরেও না। বিদ্যুৎ না থাকায় রাতে ঘুমাতে পারি না অথচ মিটারের রিডিং এর থেকে বিল বেশি করে করা হচ্ছে।
হৃদয় নামে এক গ্রাহক বলেন, সাধারণ পরিবারের একজন গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল ৮০০ টাকা থেকে ১৫০০ টাকা হয়। এটা দেখার কেউ নেই। ইচ্ছে মতো যা খুশি করে যাচ্ছে বাসাইল বিদ্যুৎ অফিস।
পল্লী বিদ্যুতের বাসাইল জোনালের এজিএম মহিউদ্দিন বলেন, বাসাইল যেহেতু নিচু এলাকা বন্যার কারনে অনেক সময় বিদ্যুৎ বন্ধ রাখতে হয়। মিটার রিডিং না দেখে কখনো বিল করা হয় না।যদি কেউ অভিযোগ জানায় আমরা দ্রুত এর ব্যবস্থা নিবো।
পল্লী বিদ্যুতের বাসাইল জোনাল কার্যালয়ের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) শওকাতুল আলম নিউজ টাঙ্গাইলকে বলেন , বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হচ্ছে এজন্য টাঙ্গাইল গ্রিড থেকেই লোডশেডিং হচ্ছে। আশা রাখছি সাত দিনের মধ্যে এ সমস্যা সমাধান হবে।
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন
-
"নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন। 
