- অনলাইন থেকে: দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে দুই শিশু ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ৯৯৯ নম্বরের ফোনে অভিযোগ করায় ওই কিশোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত ১৫ বছরের ওই কিশোরকে কিশোর আদালতের মাধ্যমে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষণের শিকার দুই শিশুর বৃহস্পতিবার ডাক্তারি পরীক্ষার পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।
মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রউফ সরকার বলেন, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা রানাদিয়া গ্রামে ১২ জুলাই দুপুরে ১০ বছরের শিশু দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ১৫ বছরের ১০ শ্রেণির ছাত্র তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে কৌশলে ধর্ষণ করে। ওই ধর্ষণের ঘটনা দেখে ফেলে আরেক প্রতিবেশী ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী। ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনাটি সবাইকে বলে দেবে বলার পর কিশোর অপরাধী কৌশলে ওই ছাত্রীকে ঘরে নিয়ে যায়। এরপর ভয়ভীতি দেখিয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকেও ধর্ষণ করে সে।
দুই শিশু তাদের পরিবারের কাছে যৌন হয়রানির বিষয়টি গোপন করে রাখে। কিশোর অপরাধে অভিযুক্ত ১০ম শ্রেণির ওই ছাত্র ঘটনাটি তার বন্ধুকে বলে। ওই বন্ধু গত ২৭ জুলাই ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর চাচিকে ঘটনাটি খুলে বলে। এরপর ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর চাচি ঘটনাটি পরিবারের সদস্যদের কাছে খুলে বলেন।
পুলিশের ওই কর্মকর্তা জানান, ধর্ষণের শিকার দুই শিশুর কোনো এক আত্মীয় সিলেট থেকে ২৭ জুলাই রাতে ৯৯৯ নম্বরে অভিযোগ করেন। ৯৯৯ নম্বরের অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বুধবার রাতেই অভিযুক্ত কিশোরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। অভিযুক্ত ওই কিশোর পুলিশের কাছে তার অপরাধ শিকার করেছে। দুই শিশু ধর্ষণের ঘটনায় ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া ছাত্রীর মা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার আটক কিশোরকে অভিযুক্ত করে মামলা করেছেন।
তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার ধর্ষণের শিকার দুই শিশুর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পূর্ণ হয়েছে। দুপুরের পর দুই শিশুকে আদালতে পাঠানো হয়। সেখানে দুই শিশু ২২ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দি দিয়েছে। অভিযুক্ত কিশোরকে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালতের বিচারক ওই কিশোরকে গাজীপুর সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।
