নিউজ ডেস্ক: চতুর্থ শ্রেণীর স্কুলছাত্রীকে (১১) বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় অনিক (১৯)। গত সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ছয়টায় এমন ঘটনা ঘটে। অনিক পোষ্টকামুরী দক্ষিণ পাড়ার আবু বক্করের ছেলে। তিনি দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন।
গত মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) ধর্ষিতার মা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মির্জাপুর থানা এবং টাঙ্গাইল র্যাব অফিসে লিখিত অভিযোগ করেন। মির্জাপুর থানার মামলা নং-১৫। অভিযোগ প্রাপ্তির পর র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লেঃ কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন এর নেতৃত্বে টাঙ্গাইলের চৌকস আভিযানিক দল গোয়েন্দা তৎপরতা ও টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন জায়গায় অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করে। র্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা ও অনুসন্ধান করে জানতে পারে যে, ধর্ষক অনিক (১৯) টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অবস্থান করছে এবং বার বার স্থান পরিবর্তন করতে থাকে।
ধর্ষক অনিক (১৯)কে তার পিতামাতা রক্ষা করার জন্য আত্মীয় -স্বজনের বাড়িতে লুকিয়ে রাখে এবং পালানোর বিভিন্ন পথ অবলম্বন করে। অবশেষে শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে র্যাবের আভিযানিক টিম টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানাধীন ফতেহপুর ইউনিয়নের পারদিঘী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তার খালার বাড়ির তালাবদ্ধ ঘর হতে ধর্ষক অনিককে আটক করে।
জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষক অনিক জানায়, সে গত ১৯ তারিখে সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ছয়টার সময় পোষ্টকামুরী দক্ষিণ পাড়ার চতুর্থ শ্রেণীর স্কুল ছাত্রী শিশুর (১১) বাড়িতে যায় এবং বাড়িতে তাকে একা পেয়ে মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং শিশুটি ভয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে ধর্ষক অনিক পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে লেঃ কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, র্যাবের এ ধরনের আভিযানিক কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরো জোরদার করা হবে।

