নিজস্ব প্রতিনিধি : র্যাগিংয়ের নামে ডেকে নিয়ে শিক্ষার্থীদের শারিরিক ও মানসিক অত্যাচারের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকসহ ছয় শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিস্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের অনুমোদিত এবং প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. সিরাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত নোটিশে বহিস্কারের এ তথ্য জানানো হয়। এছাড়া কেন স্থায়ী বহিস্কার করা হবে না? সাত কার্যদিবসের মধ্যেও এর জন্য কারণ দর্শানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় প্রবেশ ও একাডেমিক কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সাময়িক বহিস্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন, ৪র্থ বর্ষ ২য় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েম আলী সানি এবং ২য় বর্ষ ১ম সেমিস্টারের এস এম রাশেদুল ইসলাম, জিল্লুর রহমান, মোঃ আবু হেনা মোস্তফা কামাল, মোঃ আতিকুজ্জামান ও অনিন্দ রায়। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েম আলী সানি ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে নিরীহ শিক্ষার্থীদের রাতের বেলা হল থেকে ডেকে নিয়ে শারিরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় গত পরশু রাতেও তিন ছাত্রকে হল থেকে ডেকে নিয়ে রাতভর অমানবিক নির্যাতন করে গুরুতর আহত করে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে তাদের বহিস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট ডাক দেয় তারা।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রক্টরিয়াল বডি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের ডিন, প্রভোস্ট, বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান সহ সকল শিক্ষকদের নিয়ে করা জরুরী সভায় অভিযুক্ত ছয় শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কারণ দর্শানো ও তদন্তের উপর তাদের শাস্তি বাড়ানো অথবা কমানো হবে। সাময়িক বহিস্কার থাকায় ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় প্রবেশ ও একাডেমিক কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা থাকবে বলেও তিনি জানান।
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।
