পানিতে ডুবে প্রতিদিন ৪০ শিশুর মৃত্যু হয়। বছরে মারা যায় ১৯ হাজার শিশু। এর মধ্যে সাড়ে ১৪ হাজার ১৮ বছরের নিচে। এ অবস্থায় তিন লাখ ৬০ হাজার শিশুকে সাঁতার শেখানোর প্রকল্প নিয়েছে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে শিশু একাডেমি।
পুকুর, খালবিল, হাওর-বাওড় বেষ্টিত নদীমাতৃক এই ভূখণ্ড প্রতিবছর প্লাবিত হয় বর্ষার জলে। বন্যা, সাইক্লোন, জলোচ্ছ্বাস, সাঁতার না জানা, নৌ দুর্ঘটনাসহ নানা কারণে পানিতে ডুবে মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিবছরই বাড়ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, শিশু এবং তরুণ বয়সে মৃত্যুর প্রধান ১০ কারণের অন্যতম পানিতে ডুবে মৃত্যু।
২০১৬ সালে বাংলাদেশ হেলথ অ্যান্ড ইনজুরি সার্ভের রিপোর্ট বলছে, প্রতিবছর পানিতে ডুবে মারা যায় প্রায় ১৯ হাজার মানুষ। এর মধ্যে সাড়ে ১৪ হাজারই ১৮ বছরের নিচে। আর প্রতিদিন ৪০ জন শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়; এর মধ্যে ৩০ জনই ৫ বছরের নিচে।
পানিতে ডুবে মৃত্যু রোধে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি ১ থেকে ৫ বছরের শিশুদের জন্য ৮ হাজার দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন করতে চায় সরকার। এছাড়া সাড়ে তিন লাখেরও বেশি শিশুকে সাঁতার শেখানোর প্রকল্প নিয়েছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী, পানিতে ডুবা প্রতিরোধে জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ণে কাজ করছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
জনগণকে সম্পৃক্ত করে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার পরামর্শ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের।
নিউজ টাঙ্গাইলের সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন - "নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।
