ব্রেকিং নিউজ :

অবাঞ্ছিত ঘোষনা করার কথা বলাটা হাস্যকর, রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব____ আহমেদ আযম খান

 

নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্ক :
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, আমাকে বাসাইলে অবাঞ্জিত ঘোষনা করার কথা বলাটা হাস্যকর, রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব। আমি বাসাইলের সন্তান। এই বাসাইলেই গত ৬০ বছর আমার বেড়ে উঠা, বিচরন এবং রাজনীতি। আমি বাসাইলে আমার নিয়মিত কর্মসূচীতে উপস্থিত হয়েই তার দেউলিয়াত্ব প্রমান করবো। এরা রাজনৈতিক শিষ্টাচার বলতে কিছু জানেনা, এই ধরনের অবাঞ্ছিত ঘোষনা করার মন্তব্য রাজনৈতিক নোংরামি, রাজনীতিতে নোংরামির কোন জায়গা নেই। আজ থেকে সাড়ে তিন বছর আগে বিএনপির দলীয় মনোনয়নে নির্বাচিত হয়ে আজ পর্যন্ত দলের কোন কাজে আসেনি কাজী শহীদ মুন্সী। বরং বিরোধীতা করে সরকার দলীয় এমপি”র সাথে আতাত করে ভাগ বাটোয়ারায় ব্যাস্ত থেকেছে। এরা বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে দলের ক্ষতি করে আসছে জেনেই কেন্দ্রিয় বিএনপি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে। মুনাফেকদের শাস্তির ব্যাবস্থা দলের সময়োপযোগী এ সিদ্ধান্তকে আমি স্বাগত জানাই।
শনিবার(১৫ জুলাই) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অক্সগসংগঠন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তার প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করতে গিয়ে মুঠোফোনে তিনি এসব কথা বলেন।
কেন্দ্রিয় বিএনপি কর্তৃক উপজেলা বিএনপির সদস্য কাজী শহীদুল ইসলামের সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট আহমেদ আযম খানকে কটুক্তি ও অশালীন বক্তব্যের প্রতিবাদে

উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অক্সগসংগঠন আয়োজিত আলোচনা সভায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল করিম অটলের সভাপত্বি বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপির সভাপতি মামুন আল জাহাঙ্গীর, উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সোহরাব হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মাসুদুর রহমান, রুহুল আমীন ভুইয়া, ওহিদুল ইসলাম মোস্তফা, উপজেলা যুবদল সভাপতি জুয়েল ভুইয়া, ফুলকী ইউপি বিএনপি ও ইউপি চেয়ারম্যান বাবুল আহমেদ, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ পিন্টু প্রমূখ।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল করিম অটল তার বক্তব্যে বলেন কাজী শহীদুল ইসলাম মুন্সী দলীয় ব্যানারে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পর বিএনপির সকল কর্মকান্ডে অসহযোগীতা করে আসছে। ৯৩ দিনের গনতন্ত্র পুনঃরুদ্ধার আন্দোলনে একদিনের জন্যও অংশগ্রহন না করে সরকারী দলের সাথে অতাত করে আন্দোলনে বাধা দিয়েছে। ইউপি নির্বাচনেও বিএনপি প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করেছে। দলীয় ইফতার মাহফিল বাধা দিয়েছে এবং প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী এবং দলীয় কাউন্সিলে সরকারের সাথে আতাত করে বাধা দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, ১৪৪ ধারা জারি করিয়েছে কাজী শহিদ মুন্সীর এসকল কার্যকলাপকে কেন্দ্র করে কেন্দ্র যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাকে উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের সকলেই আমরা স্বাগত জানাই, পাশাপাশি দলের ভাইস চেয়ারম্যানকে কটুক্তিমূলক কথার তীব্র নিন্দা জানাই।

উল্লেখ্য, গত ১৩ জুলাই কেন্দ্রিয় বিএনপির দলীয় ফেইসবুক পেজে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাসাইল উপজেলা বিএনপির সদস্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল ইসলামের সদস্যপদ স্থগিতের প্রতিবাদে পরদিন কাজী শহীদ এবং তার সমর্থকরা প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল থেকে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট আহমেদ আযম খানকে অবাঞ্ছিত ঘোষনা করে।

"নিউজ টাঙ্গাইল"র ইউটিউব চ্যানেল SUBSCRIBE করতে ক্লিক করুন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.