খেজুর খান ৮টি রোগ থেকে বাঁচুন

 

নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্ক:
আনেকেই বিশ্বাস করেন মিষ্টি খাবার মানেই তা শরীরের জন্য ভালো নয়। এই ধরণা কিন্তু ঠিক নয়। কারণ খেজুর একটা মিষ্টি ফল, তবু এর মধ্য কোন ক্ষতিকর উপাদান নেই। বরং এটি খেলে সার্বিকভাবে শরীরের ৮টি বড় রোগ থেকে বাঁচা যায়। শরীর ও মন থাকে চাঙ্গা। খেজুরের মধ্য বিপুল পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম এবং ফাইবার থাকার কারণে শীতকালে এ ফলটি খাওয়া খুব জরুরি। সর্বোপরি এর খাদ্যগুনের জন্য রমজান মাস চালাকলীন মুসলমানরা ইফতার করেন এই ফল দিয়েই। কারণ রোজার কারণে শরীরের বিপুল পরিমাণ শক্তির দরকার পরে, আর খেজুর সে সময় এই কাজটিই করে খুব সুন্দরভাবে। এখানেই শেষ নয়, যারা নিজের ওজন কমাতে ইচ্ছুক তাদের জন্যও এই ফলটি খাওয়া জরুরি। কারণ খেজুর ওজন কমাতে দারুন কাজে করে। খেজুরের আরো কিছু গুনাগুন আমরা জানবো।
১. খেজুরে শরীর গরম রাখে:
খেজুরে বিপুল পরিমাণে ফাইবার, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এবং ম্যাগনেশিয়াম থাকার কারণে এটি শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে। যে কারণে শীতকালে এই ফলটি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।
২. খেজুরে ঠান্ডা কমায় :
ঠান্ডায় খুব হাঁচি-কাশি হচ্ছে। চিন্তা নেই। ২-৩ টি খেজুর, কিছুটা মরিচ আর ১-২ টা এলাচ নিয়ে গরম জলে সেদ্ধ করে নিন। রাতে শুতে যাওয়ার আগে ওই জল খেয়ে নিন। দেখবেন ঠান্ডা কেমন দৌড়ে পালাচ্ছে।
৩. খেজুরে অ্যাজমা সারায়:
শীতে যে যে রোগ খুব মাথাচারা দিয়ে ওঠে তার মধ্যে অন্যতম হল হাঁপানি বা অ্যাজমা। প্রতিদিন সকালে আর বিকালে নিয়ম করে ১-২ টো খেজুর খান। দেখবেন আপনার শীতকালে আর হাঁপানি হচ্ছে না ।
৪. খেজুরে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করে:
খেজুরে যেহেতু অনেক পরিমাণ প্রাকৃতিক মিষ্টি থাকে, তাই এই ফলটি খেলে নিমেষ শরীরের শক্তি বেড়ে যায়।
৫. খেজুরে কোষ্ঠকাঠিন্য সারায়:
কয়েকটা খেজুর নিয়ে সারা রাত জলে ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে খেজুরটা ফাটিয়ে জলে মিশিয়ে সেই জল পান করুন। দেখবেন কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমতে শুরু করেছে। খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকার কারণে এটি কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে দারুন কাজে করে।
৬. খেজুরে হার্টের জন্য ভালো:
খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। আর ফাইবার হার্টকে ভালো রাখে। তাই খেজুর খেলে হার্ট যেমন ভালো থাকে, তেমনি হার্টরেটও নিয়ন্ত্রণে রাখে। হার্টফেল কমে যায়। কমে যায় হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা।
৭. আর্থারাইটিস কমায়:
শীতে যারা আর্থ্রারাইটিসের সমস্য়ায় খুব ভোগেন তারা আজ থেকেই খেজুর খাওয়া শুরু কারুন। এতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ থাকার কারণে আর্থ্রারাইটিসের ব্য়থা কমাতে এটা দারুন কাজে দেয়।
৮. উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে:
ম্যাগনেশিয়াম আর পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। খেজুরে খনিজ প্রচুর পরিমাণে থাকায় এই ফলটি খেলে রক্তচাপ একেবারে নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে, তারা প্রতিদিন ৫-৬ টা খেজুর খেতে ভুলবেন না।

 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.