টাঙ্গাইলে জমি লিখে না দেওয়ায় শিক্ষক দম্পতিকে হত্যা

নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্কঃ শিক্ষক অনিল কুমার দাস ও তার স্ত্রী কল্পনা রানী দাস শিক্ষক অনিল কুমার দাস ও তার স্ত্রী কল্পনা রানী দাস টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রসুলপুরে বাছিরন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অনিল কুমার দাস ও তার স্ত্রী কল্পনা রানী দাসের হত্যারহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। খুন হওয়া শিক্ষকের সৎ ভাই স্বপন কুমার দাস তার কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে অনিল কুমার দাস ও তার স্ত্রী কল্পনা রানী দাসকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ মামলায় গ্রেফতার হওয়া রসুলপুর গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (৩২) এবং পার্শ্ববর্তী শালিনা গ্রামের মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. ফরহাদ (৩৩) হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

শুক্রবার (১৮ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় তার সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানান। পুলিশ সুপার জানান, গত ১২ মে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে জাহিদুল ও ফরহাদকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা শিক্ষক অনিল কুমার দাস ও তার স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরদিন ১৩ মে তাদের বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। তারা বিচারিক হাকিমের কাছে জবানবন্দি দেন। জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম রূপম কুমার দাস তাদের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। পুলিশ সুপার জানান, জবানবন্দিতে জাহিদুল ও ফরহাদ জানিয়েছেন, শিক্ষক অনিল কুমার দাসের পাছবিক্রমহাটি মৌজার ৬০ শতাংশ জমি লিখে নেওয়ার জন্য তার বৈমাত্রেয় ছোট ভাই স্বপন কুমার দাস স্ট্যাম্প প্রস্তুত করেন। এই স্ট্যাম্পে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য স্বপন ওই এলাকার জাহিদ, ফরহাদ, খোকন ভূইয়া (৪৮) ও মঞ্জুরুল ইসলাম মিঞ্জুর (৩৩) সঙ্গে আলোচনা করেন। স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিতে পারলে স্বপন তাদের নগদ পাঁচ লাখ টাকা এবং জমি বিক্রির পর অর্ধেক মূল্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। ঘটনার দিন স্বপন তার পাঁচ সহযোগীসহ শিক্ষক অনিল কুমার দাসের ঘরে ঢোকেন। তারা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দেওয়ার জন্য অনিল কুমার দাসকে চাপ দেন। কিন্তু তিনি স্বাক্ষর করতে রাজি না হওয়ায় স্বপন বালিশ চাপা দিয়ে তাকে হত্যা

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.