সখীপুরের নলুয়া-বহুরিয়া সড়কের বেহাল অবস্থা; চরম দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ

এম সাইফুল ইসলাম শাফলুঃ রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের অভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ নলুয়া-বহুরিয়া সড়কটি । যাদবপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় সৃষ্ট খাদগুলো চলতি বর্ষায় এক একটি ডোবায় পরিণত হয়েছে। ওই তিন কিলোমিটার সড়কের শতাধিক স্থানে কার্পেটিং পলেস্তারা (ভিটুমিন) উঠে গিয়ে খানা-খন্দকের সৃষ্টি হওয়ায় চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন স্কুল, কলেজ, মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ নলুয়া, বহুরিয়া, চতলবাঈদ, বোয়ালী, ঘেচুয়া, হতেয়া, করটিয়াপাড়া, পানাউল্লাপাড়া, কালিদাশ, কালমেঘা গ্রামের চলাচলকারী সর্বসাধারণ। চলতি বর্ষার সামান্য বৃষ্টিতে এ দুর্ভোগের মাত্রা আরও বেড়ে গেছে। ওইসব এলাকার একমাত্র এ সড়কটি সংশ্লিষ্ট বিভাগ দীর্ঘদিনেও সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় প্রায়ই খাদগুলোতে যানবাহন ওল্টে দুর্ঘটনা ঘটছে । এতে করে চলাচলকারী যাত্রী ও শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিকল্প কোন সড়ক না থাকায় বড় বড় গর্তের উপর দিয়েই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলতে হচ্ছে তাদের। প্রায়ই মালবাহী ট্রাক , প্রাইভেটকার, মাইক্রো, সিএনজি, অটো রিক্সা ভ্যান আটকে পড়ে ঘন্টার পর ঘন্টা এলাকাবাসী ভোগান্তির শীকার হচ্ছেন। সৃষ্ট খাদে থকথকে কাদা ও পানি থাকার কারণে ওই সড়কের চলাচল করার জন্য অতিরিক্ত ভাড়াও গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের।

ওই সড়কে চলাচলকারী সিএনজি চালক ফজল মিয়া , ‘এই সড়কটি এখন আর সড়ক নাই ডোবায় পরিণত হয়েছে। সড়কটি অচিরেই সংস্কার না করা হলে নলুয়া থেকে পূর্বাঞ্চলের গ্রামবাসীর উপজেলা শহর সখীপুরের যোগাযোগ প্রায়ই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।

নলুয়া বাছেত খান উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মির্জা শরীফ জানায়- সড়কের অবস্থা খারাপ থাকায় প্রতিদিনই আমাদের ১০ মিনিটের রাস্তায় প্রায় ১ ঘন্টা সময় লেগে যায়। এতে করে যথাসময়ে ক্লাশে উপস্থিত হতে পারিনা।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাহাদ কদ্দুছ সড়কটির বেহাল দশার কথা স্বীকার করে বলেন, সংস্কারের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে। আশা করছি অচিরেই রাস্তাটি সংষ্কারের অনুমোদন পাওয়া যাবে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.