অনুসন্ধানে বেরিয়ে এল একরাম সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য

নিউজ ডেস্কঃ সম্প্রতি মাদক বিরোধী অভিযানে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়েছেন টেকনাফ পৌরসভার কমিশনার একরামুল হক। নিহত হওয়ার পর পরই মাদকের গডফাদাররা এই অভিযানকে অন্যখাতে নিতে টাকার বিনিময়ে কিছু মিডিয়া ব্যবহার করে একরামকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য উঠে পরে লেগেছে। এই ক্ষেত্রে একরামের পারিবারিক আবেগকে মূল অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে মিডিয়াগুলো।একরামের বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

অনুসন্ধানে জানা গেছে একরাম ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন অনেক বছর ধরে।২০১৩ সালের ২৬ জুন ‘প্রথম আলো’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের পপ্রতিবেদনের বরাত দিয়ে একটি সংবাদ প্রচার করেছিল। প্রথম আলোর ঐ প্রতিবেদনে একরামকে স্থানীয় সংসদ বদির ঘনিষ্ঠ উল্লেখ করে তাকে শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করেছিল।

২০১৪ সালের ১৫ই নভেম্বর যুগান্তরে প্রকাশিত ‘রোহিঙ্গাবান্ধব একান্ন ব্যক্তি চিহ্নিত’ প্রতিবেদনেও আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর প্রকাশিত তালিকার বরাত দিয়ে একরামকে ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।এছাড়া চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারী কালের কণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, একরামুল হকের ১৬ লাখ পিসের একটি ইয়াবার চালান বিজিবির হাতে আটক হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবাকারবারি একরামের বিরুদ্ধে ৮টি ইয়াবা পাচারের মামলা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেছিল বিজিবি।২০১২ সালে দেশের বেসরকারী টেলিভিশন Independent Television চ্যানেলের অনুসন্ধানমূলক অনুষ্ঠান “তালাশ” এবং ২০১৪ সালে নিউজ২৪ চ্যানেলের ‘Team Undercover’ নামের অনুষ্ঠানেও টেকনাফের শীর্ষ ব্যবসায়ী হিসেবে একরামের নাম উঠে এসেছে।ইয়াবা সম্রাট একরামের মৃত্যুকে নিয়ে যারা আবেগের রাজনীতিতে লিপ্ত তারা আসলে পরোক্ষভাবে মাদককেই সমর্থন দিচ্ছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.