ব্রেকিং নিউজ

টাঙ্গাইলে ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার

নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্ক: কালিহাতীতে নিখোঁজের চারদিন পর সাইফুল ইসলাম (২৭) নামে এক ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৭ জুলাই) বিকালে ঘাটাইল উপজেলার দেউপুর মেঘের চালার বন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। কালিহাতী উপজেলার পূর্ব বীরবাসিন্দা গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম।

কালিহাতী থানার পরিদর্শক (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, মঙ্গলবার (৩ জুলাই) ঘাটাইলের দেউপুর মেঘের চালা বন থেকে লাকড়ি (জ্বালানি কাঠ) আনার কথা বলে সাইফুল ইসলামকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান সোহাগ ও আনছার আলী। এরপর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

শনিবার (৭ জুলাই) বিকালে স্থানীয়রা বনের ভেতর মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন মরদেহটি সাইফুলের বলে সনাক্ত করেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

One comment

  1. গত ৫ দিন আগে ০৩-০৭-২০১৮ ইং মঙ্গলবার কালিহাতি উপজেলার পুরবাসিন্দা নিবাসী একটি ছেলে(মোঃ সাইফুল ইসলাম) অটো ভ্যান সহ নিখোজ হয়।
    অনেক খুজাখুজির পরেও কোথাও পাওয়া যাচ্ছিল না।
    ছেলেটির পরিবারের সবাই অনেক টেনশন এ ছিলেন।
    আজ ৫ দিন পর ০৭-০৭-২০১৮ ইং এলেঙ্গা থেকে ছেলেটির ভ্যান বিক্রি করার সময় ভ্যান সহ দুই জন চোরকে হাতেনাতে ধরা হয় ।
    ভ্যান চোরকে জিজ্ঞাসা বাদের পরেও নিখোজ ছেলেটির খোজ বেড় হচ্ছিল না।
    মারধর করার পর জানা যায় ছেলেটিকে তারা ৫দিন ধরে জংগলে বেধে রেখেছে।
    কিছুটা বেচে থাকার আশ্বাস পেয়ে সেখানে ছুটে যায় ছেলেটির পরিবার ও গ্রামের লোকজন।
    চোরদের তথ্য অনুযায়ী সেখানে যাওয়ার পর দেখা যায় ছেলেটিকে তারা হত্যা করে ফেলে রেখে গিয়েছে।
    ছেলেটির গলায় কাটা দাগ দেখা যায়।
    পা ও হাত কাটা হয়েছে।নির্মমভাবে ভাবে হত্যা করা হয়েছে ছেলেটিকে।
    ৫দিনে লাশের শরির পচে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরেছে জঙ্গলের চারদিকে।
    পোকায় খেয়ে লাশের মুখ মন্ডল নষ্ট করে ফেলেছে।

    লাশটিকে ঘাটাইল উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়ন এর কোচপাড়া মোউজার মেগার চালা পাহাড়ের জংগল থেকে উদ্ধার করে পোষ্ট মেটাম এর জন্য পাঠানো হয়।

    আসামিরা হলেন ঘাটাইল উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়ন এর কোচপাড়ার মোঃ শাহজাহান আলীর ছেলে মোঃ আনছের আলী ও তার বোন জামাই( নাম জানা নাই)।
    এ ঘটনায় আরো কেউ জড়িত আছে কিনা তা নিয়ে পুলিশের তদন্ত চলছে।
    এলাকার লোকজনের মুখে জানা যায় আনছের আলি ছোট বেলা থেকেই বিভিন্ন প্রকার নেশা করত।
    এমন কোনো নেশা নেই যা তার দারা সেবন করা হয়নি।
    এর আগেও এলাকায় ছোট ছোট চুরি করে ধরা পরার অভিযোগও পাওয়া যায় আনছের আলীর বিরুদ্ধ্যে।
    ইদানিং নাকি সে বলে বেড়াচ্ছিল একটি হোটেল করবে সে।
    তারপরেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে মো: আনছের আলী।

    ঘটনা সাপেক্ষে পুর্বাসিন্দা গ্রামের লোকজন ও খুনির গ্রামের লোকজনও খুনির ফাঁশি দাবি করছেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.