ব্রেকিং নিউজ
News Tangail

মাশরাফি-মুস্তাফিজদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে বাংলাদেশের জয়

দুর্দান্ত এক জয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ দল। টেস্টের ব্যর্থতা ভুলে স্বাগতিকদের বিপক্ষে এক দিনের সিরিজ জয় দিয়ে শুরু করেছে টাইগাররা।

ব্যাট হাতে সাকিব-তামিমের আলো ছাড়ানোর দিনে বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন মাশরাফি-মুস্তাফিজরা।

বাংলাদেশের দেওয়া ২৮০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ২৩১ রানে থেমেছে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সফরকারী বাংলাদেশ জয় পেয়েছে ৪৮ রানের।

স্বাগতিক ক্যারিবীয়ানরা শেষ উইকেট জুটিতে বেশ ভুগিয়েছে বাংলাদেশকে। ৫৯ রানের এক প্রতিরোধগড়া জুটি গড়েন দেবেন্দ্রে জিসু ও আলজারি জোসেফ। তবে জয় থেকে ৪৮ রান দূরে থাকতেই শেষ হয়ে যায় তাদের ইনিংস।

মাশরাফি, মুস্তাফিজ, রুবেলদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শুরু থেকেই বেশ চাপে ছিলো ক্যারিবীয়ানরা। দলীয় ২৭ রানে প্রথম উইকেট হারানো দলটি ১৫১ রানের আগেই হারায় সাত উইকেট। লড়াই করতে একমাত্র হেটমায়ারার।

ইনিংস সর্বোচ্চ ৫২ রান এসেছে এই হাফ সেঞ্চুরিয়ানের ব্যাট থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪০ রান করে রানআউট হয়েছেন ক্রিকেট গেইল। তবে ব্যক্তিগত ১৬ রানেই ফিরতে পারতেন গেইল।

আম্পায়ারারের সহতায়তা বেঁচে যান তিনি।
শেষ উইকেট জুটিতে বিষু ও জোসেফ ৫৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। জোসেফ ২৯ ও বিষু ২৫ রানে অপরাজিত থেকে হার নিয়ে মাঠ ছাড়েন।

বাংলাদেশের হয়ে মাশরাফি ১০ ওভারে ১ মেডেনে ৩৭ রানে চারটি, মুস্তাফিজ ৮ ওভারে ৩৫ রানে দু’টি, মিরাজ ও রুবেল ১টি করে উইকেট লাভ করেন।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে তামিম ইকবালের সেঞ্চুরি, সাকিব আল হাসানের ৯৭ রান আর শেষ সময়ে ব্যাট করতে নেমে ঝড় তোলা মুশফিকের ব্যাটে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২৮০ রানের চ্যালেঞ্জিং টার্গেট দেয় বাংলাদেশ।

ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই হারায় ওপেনার বিজয়কে। শুরুর ধাক্কা সামলে পরের গল্পটা নিজেদের করে নেন তামিম ও সাকিব। দু’জনে মিলে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ‘রেকর্ড’ গড়েন। তাদের ২০৭ রানের জুটি দ্বিতীয় উইকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি।

এদিন তামিম ইকবাল শতক হাঁকালেও সাকিব মাত্র তিন রানের জন্য মিস করেছেন তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার। সাকিব ফিরেছেন ৯৭ রানে।

তামিম অপরাজিত থেকেছেন ১৩০ রানে। তাদের দু’জনে ‘রেকর্ড’ জুটির পাশাপাশি শেষ সময়ে ব্যাট করতে নামা মুশফিকে ঝড়ো ইনিংসে বাংলাদেশ নির্ধারিত ওভারে ৪ উইকেটে ২৭৯ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেয়েছে।

সাকিব ১২১ বলে ৯৭ রানের দায়িত্বশীল এক ইনিংস খেলেছেন। তার ইনিংসে ছয়টি চারের মার ছিলো। তামিম ইকবাল ১৩০ রানের অপরাজিত থাকার ইনিংসটি সাজিয়েছেন ১৬০ বলে দশ চার ও এক ছয়ে। ১৪৬ বলে সাত চার ও এক ছয়ে নিজের শতক পূর্ণ করেন তিনি।

দলীয় ২০৮ রানে তৃতীয় উইকেটে সাকিবের আউট হয়ে গেলে ব্যাট করতে নামেন সাব্বির রহমান। মাত্র ৩ রান করে তিনি ফিরে গেলে উইকেটে আসেন মুশফিক। এসেই তিনি ঝড় তোলেন।

মাত্র ১১ বলে ৩০ রানের এক ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। তাতে ছিলো তিনটি চার ও দু’টি বিশাল ছক্কার মার। ইনিংস শেষের এক বল আগে আউট হওয়া মুশফিকের পর ব্যাটিংয়ে আসেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তিনিও এসে বাউন্ডারী হাঁকান। এক বলে চার রান করে তামিমের সঙ্গে অপরাজিত থাকেন তিনি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে দেবেন্দ্র বিষু ২টি উইকেট লাভ করেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.