News Tangail

সিরাজগঞ্জ সদর আসনের সার্বিক উন্নয়নে অধ্যাপক ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না এমপি’র বিকল্প নেই

মোঃ জহির রায়হান, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: নদীভাঙ্গনের স্বীকার ও অবহেলিত এবং পিছিয়ে থাকা সিরাজগঞ্জ জেলাকে উন্নত ও সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন- সিরাজগঞ্জ সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ও এমপি মুন্নার তদারকিতে সিরাজগঞ্জে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পন্ন হয়েছে এবং অনেক উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। আর এতে সাধারণ জনগণ মনে করেন সিরাজগঞ্জ সদর আসনের উন্নয়নে নৌকা প্রতীকের কোন বিকল্প নেই। আর অধ্যাপক ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না মানেই সিরাজগঞ্জের উন্নয়ন।
৩২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ১০৪১ একর জমিতে ইকোনোমিক জোন-১ নির্মাণের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হইয়াছে। এখানে শতশত মিল ইন্ডাষ্ট্রি তৈরি হইবে ও ২ লক্ষাধিক লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হইবে। সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্পপার্ক স্থাপনের লক্ষ্যে ৬২৮ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হইয়াছে। এখানে ৪০০ একর জমিতে ৮৭০ প্লট থাকবে। এখানে লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হইবে। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রমের লক্ষ্যে সিরাজগঞ্জে ৪৬৫ কোটি টাকা একনেক সভায় অনুমোদন করা হইয়াছে।

সিরাজগঞ্জকে নদী ভাঙ্গন হইতে রক্ষার জন্য বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ হইতে পূর্বদিকে শৈইলাবাড়ী খোকশাবাড়ীতে ক্রসবার- ১ = ৫৯,৯৬,১২,৩২৬/- টাকা, রানীগ্রামে ক্রসবার-২= ৪৪,৯৪,৮৪,৩৫৭/- টাকা, চরমালশাপাড়া ক্রসবার-৩ = ৮২,৩০,৭০,৯৭২/- টাকা, পাইকপাড়া ক্রসবার-৪ = ৫৮,৮১,৭৭,৮০৩/- টাকা।
সর্বমোট ২৪৬ কোটি ০৩ লক্ষ ৪৫ হাজার ৪৬০ টাকা ব্যয়ে ৪টি ক্রসবার নির্মাণ করা হইয়াছে এবং হাজার হাজার একর আবাদি জমি পুনঃরুদ্ধার হইয়াছে।

ক্যাপিটাল পাইলট ড্রেজিং প্রকল্প দ্বারা ১১ শত কোটি টাকা ব্যয়ে নদী খনন করে নদীর গতিপথ পরিবর্তন করা হইয়াছে। বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশে বাংলাদেশের বৃহৎ রেলসেতু নির্মাণের লক্ষ্যে ৯৭৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হইয়াছে এবং রেল সেতুর প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হইয়াছে। ৫০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ক্রসবার-৩ ও ক্রসবার- ৪ এর মাথা সংযোগ প্রকল্প বাস্তবায়নের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হইয়াছে। কড্ডা হইতে পশ্চিম দিকে ৬ লাইন সড়ক নির্মাণের লক্ষ্যে ২১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হইয়াছে। সিরাজগঞ্জ পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ডে বিভিন্ন রাস্তাঘাট উন্নয়নের জন্য ৪২ কোটির দরপত্র সম্পূর্ণ হইয়াছে, যাহা অতিদ্রুত বাস্তবায়ন হইবে। ইহা ছাড়া ও ৪০ কোটি টাকার কাজ অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রহিয়াছে। সিরাজগঞ্জ সদরে ৩০ কোটি ৮৫ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা ব্যয়ে ৮০ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ করা হইয়াছে। সিরাজগঞ্জ সদরে ১২ কোটি ৩০ লক্ষ ৩১ হাজার টাকা ব্যয়ে ব্রীজ ও কালভার্ট নির্মাণ করা হইয়াছে। ২,৩৯,৬৩,০০০/- টাকা ব্যয়ে পিটিআই/শিক্ষা অফিস নির্মাণ করা হইয়াছে। ৩,৩২,৬৭,০০০/- টাকা ব্যয়ে আরবান প্রাইমারী হেলথ কেয়ার সেন্টার, নির্মাণ করা হইয়াছে। ৯,৫৮,২৩,০০০/- টাকা ব্যয়ে ২টি বারটার্ন নির্মাণ করা হইয়াছে। ১,৩৮,০০,০০০/- টাকা ব্যয়ে ৩টি ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণ করা হইয়াছে। সিরাজগঞ্জ শহরের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাটাখালী কে সংস্কার ও আধুনিকায়ন করার জন্য ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হইয়াছে।
৩,৪১,৬০,০০০/- টাকা ব্যয়ে সরকারী নিজস্ব সম্পত্তিতে ইলিয়ট ব্রীজের পূর্বপার্শ্বে ৫ম তলা বিশিষ্ট ২নং পুলিশ ফাঁড়ি ভবন নির্মাণ করা হইয়াছে ও প্রশাসনিক আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক কার্যক্রম চলমান আছে। শুধুমাত্র ২০১৭ সালের কৃষিখাতে সিরাজগঞ্জ সদরে কৃষকদের জন্য কৃষি প্রনোদণা স্বরুপ- ৪৮৫৫ জনকে ৫৩,৮৫,৯১০/- টাকা এবং কৃষি পুনর্বাসন স্বরুপ ১৬৭৫ জনকে ২১,১৫,১৫০/- টাকা ভর্তুকী প্রদান করা হইয়াছে। সিরাজগঞ্জ সদরে ১০ টি ইউনিয়নে গরীব দুঃস্থদের স্বাবলম্বী করার জন্য ১টি বাড়ী ১টি খামার প্রকল্পের মাধ্যমে স্বল্প লাভে ১১,৯০,২৯,০০০/- টাকা ঋণ প্রদান করা হইয়াছে।
সিরাজগঞ্জ সদরে ৫০,৮১,৪৪,০০০/- টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন রাস্তা সংস্কার ও নির্মাণ করা হইয়াছে। ২,১৯,৯১,০০০/- টাকা ব্যয়ে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা হইয়াছে। রেল সেতু হইতে সিরাজগঞ্জ বগুড়া রেললাইন নির্মাণের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হইয়াছে। ২৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে মুলিবাড়ী রেলক্রসিং হইতে শহর হয়ে নলকা পর্যন্ত ৪ লাইন সড়কে উন্নীত করার কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হইয়াছে।

বিগত বিএনপি-জামায়াত জোটের সময় বন্ধ করে দেওয়া জাতীয় জুট মিলস্ পুনঃ চালু করা হইয়াছে ও বহু অসহায় শ্রমিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হইয়াছে। সিরাজগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা হইয়াছে। সিরাজগঞ্জে সরকারী গণ-গ্রন্থাগার নির্মাণ করা হইয়াছে। সিরাজগঞ্জ জেলা অফিসার্স ক্লাব নির্মাণ করা হইয়াছে। সিরাজগঞ্জ জেলা সার্ভার ষ্টেশন নির্মাণ করা হইয়াছে। সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস নির্মাণ করা হইয়াছে। সিরাজগঞ্জ পৌর নিউ মার্কেট নির্মাণ করা হইয়াছে। ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজী নির্মাণ করা হইয়াছে। সিরাজগঞ্জ সরকারী হাসপাতাল ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হইয়াছে এবং আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু করা হইয়াছে। শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হইয়াছে। জরাজীর্ণ রেজিষ্ট্রি অফিসের পরিবর্তে নতুন রেজিষ্ট্রি ভবন নির্মাণ করা হইয়াছে। সিরাজগঞ্জ সরকারী কলেজে নতুন একাডেমিক ভবন ও শহীদ মিনার নির্মাণ করা হইয়াছে। সিরাজগঞ্জ স্কাউট ভবন নির্মাণ করা হইয়াছে। শিশুদের বিনোদনের জন্য যমুনা নদীর তীরে মনোরম পরিবেশে শেখ রাসেল স্মৃতি শিশুপার্কটি আধুনিকায়ন করা হইয়াছে। সিরাজগঞ্জ নৌ-পুলিশ ঘাটিঁ স্থাপন করা হইয়াছে। বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্ক নির্মাণের কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হইয়াছে।

সয়দাবাদে একটি মিনি ষ্টেডিয়াম নির্মাণের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হইয়াছে। শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেডিক্যাল হোস্টেল নির্মাণ করা হইয়াছে। সয়দাবাদে টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ নির্মাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হইয়াছে। সিরাজগঞ্জের মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের ২টি এসি বগি সংযোগ সহ অতিরিক্ত আরো ১টি ট্রেন ব্যবস্থা চালু করা হইয়াছে। যমুনাপাড়ের ৩৩ লক্ষ মানুষ উত্তরবঙ্গের বিশাল জনগোষ্ঠীর হৃদরোগ চিকিৎসা সুবিধার জন্য উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার সিরাজগঞ্জ-সিরাজগঞ্জ ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল স্থাপন করা হইয়াছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় নতুন ভবন নির্মাণ করা হইয়াছে।

উপজেলা নির্বাচনের অফিসের কার্যালয় নতুন ভবন নির্মাণ করা হইয়াছে। বাল্য বিবাহ রোধে- ছাত্রীদের মাঝে বিনামূল্যে ৬০০টি বাই সাইকেল প্রদান করা হইয়াছে। নিয়মিত মুক্তিযোদ্ধা সম্মানি ভাতা, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, স্বামী পরিত্যাক্ত দুঃস্থ মহিলা ভাতা, অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, হিজড়া ভাতা, হতদরিদ্র ভাতা, ও কল্যাণ ভাতা নিয়মিত প্রদান করা হইতেছে। সিরাজগঞ্জ আদালত কার্যালয় এলাকায় বিশাল নতুন আদালত ভবন নির্মাণাধীন রহিয়াছে। সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী নামে পাঠাগার নির্মাণ করা হইয়াছে। সিরাজগঞ্জ পৌরসভার জনসাধারণকে সু-পেয় পানি প্রদানের লক্ষ্যে ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্প গ্রহণ করা হইয়াছে। সিরাজগঞ্জ সদর ও কামারখন্দ এলাকায় বাল্য বিবাহ রোধে, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, যৌতুক, জুয়া, বিভিন্ন অসামাজিক কার্যক্রম ও মাদক বিরোধী বিভিন্ন অভিযান ব্যাপকভাবে শুরু করা হইয়াছে এবং সচেতনমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হইয়াছে। কামারখন্দে সার্কেল এস.পি এর নিজস্ব কার্যালয় স্থাপন করা হইয়াছে এবং আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সকল কার্যক্রম চলমান আছে। প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষকের পথ সৃষ্টি করে নিয়োগ দেওয়া হইয়াছে ও প্রতিটি বিদ্যালয়ে ১টি করে নৈশ প্রহরী নিয়োগ দেওয়া হইয়াছে। কাওয়াকোলা ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রামে ২টি পুকুর সংস্কার করা হইয়াছে। বাড়াকান্দি ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন ২২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পুনঃখনন কাজ করা হইয়াছে। মৎস্য চাষীর জন্য ক্ষতিগ্রস্থ পুকুর মালিকদের (৭ বিঘা পর্যন্ত পুকুর) অফেরৎযোগ্য ২ লক্ষ করে টাকা দেওয়া হইয়াছে এবং খাঁচায় মৎস্য চাষীর জন্য ২০ জন কে অফেরৎযোগ্য ২ লক্ষ টাকা প্রদান করা হইয়াছে। ইহা ছাড়া বিলে মৎস্য চাষের জন্য অফেরৎযোগ্য ২ লক্ষ করে ৩টি বিলে ৬ লক্ষ টাকা প্রদান করা হইয়াছে। প্রতি বছর উপজেলা পর্যায়ে ৪৮৫০০ জন কৃষকের জন্য ৫৯৭০ মেঃ টন কৃসি সার বিতরণ করা হয় এবং উক্ত কৃষকদের মাঝে প্রতি বছর ৩২৫ মেঃ টন কৃষি বীজ বিএডিসি থেকে বিতরণ করা হয়। সিরাজগঞ্জ সদর এলাকায় ২০% ভর্তুকীতে কৃষকদের মাঝে ৩২টি পাওয়ার টিলার বিতরণ করা হইয়াছে। কৃষিখাত কে উন্নয়নের জন্য কৃষি সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা বিষয়ে, যেমনঃ মাটির স্বাস্থ্য উন্নয়নে সবুজ সার, জীবাণু সার ব্যবহার, ভার্মি কম্পোষ্ট সার, খামারজাত সার উৎপাদন ব্যবস্থা ও বালাই ব্যবস্থাপনা পোকা দমনে আলোকে ফাত ব্যবহারের জন্য উপকরণ ও উপকারিতা ধান ক্ষেতে গুটি ইউরিয়া সার ব্যবস্থা এবং পানির অপচয় রোধে ফিতা পাইপ ব্যবহার প্রযুক্তি এবং আদর্শগ্রাম স্থাপন ও উন্নয়ন প্রযুক্তি গ্রহণের লক্ষ্যে কৃষকদের সচেতনামূলক বিভিন্ন সভা, সেমিনার ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা বিষয়ক কার্যক্রম চলমান রহিয়াছে। সিরাজগঞ্জ সদরে ৪৮ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ৫টি ভূমিহীন ও অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধার বাসস্থান নির্মাণ করা হইয়াছে। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ৫০,৪১,৩৯৭/- টাকা ব্যয়ে সিরাজগঞ্জ পোল্ট্রি ফার্ম হইতে ধুকুরিয়া হাট পর্যন্ত রাস্তা মেরামত করা হইয়াছে। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ৫০,৫২,২১৪/- টাকা ব্যয়ে চন্ডিদাসগাতীঁ হইতে পাইকোশা বাজার রাস্তা উন্নয়ন। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ১৯,৮৫,৫০৬/- টাকা ব্যয়ে মুক্তারগাতীঁ ডিআর হইতে আলমপুর পর্যন্ত পাকা সড়ক উন্নয়ন করা হইয়াছে। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ৩৬,৪৫,০১০/- টাকা ব্যয়ে বড় হামকুড়িয়া পাকা রাস্তা রাঁজা খার চর সড়ক উন্নয়ন করা হইয়াছে। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ৫০,২৬,০৩২/- টাকা ব্যয়ে মানিক বাবুর খুটি হইতে ব্যাংকপাড়া সড়ক উন্নয়ন করা হইয়াছে। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ২৭,৮৭,৪৫৮/- টাকা ব্যয়ে কাশিয়াহাটা ডিআর হইতে বাঐতারা বাজার রাস্তা উন্নয়ন করা হইয়াছে। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ২০,৫২,৬২১/- টাকা বেলকুচি আরএইচডি রোড হইতে কোনাগাতী রাস্তা নির্মাণ করা হইয়াছে। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ৫২,৫,০০০০/- টাকা বাগডুমুর ব্রীজ হইতে হরিণাহাটা পাকা ভায়া চাদঁপাল সড়ক উন্নয়ন করা হইয়াছে। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ২৯,৩৯,৫২৮/- টাকা ব্যয়ে দিঘলকান্দি বাদশাহর বাড়ী হইতে ছাকমানের বাড়ী পর্যন্ত রাস্তা উন্নয়ন করা হইয়াছে। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ১০,৮৪,৭৭৫/- টাকা ব্যয়ে বেলকুচি আরএইচডি হইতে এম. মনসুর আলী ষ্টেশন সড়ক উন্নয়ন করা হইয়াছে। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ১২,৫৩,৭৮০/- টাকা ব্যয়ে রাঁমগাতী আরএইচডি হইতে চর রায়পুর সড়ক উন্নয়ন করা হইয়াছে। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে ৭৫০,৪২,৮৭/- টাকা ব্যয়ে চন্দনকোণা ইউজেড বাজার হইতে ব্রক্ষখোলা পর্যন্ত রাস্তার উন্নয়ন করা হইয়াছে। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে ৫৮১৫৯৯৫/- টাকা ব্যয়ে সিরাজগঞ্জ পোল্ট্রি ফার্ম হইতে ধুকুড়িয়া হাট পর্যন্ত রাস্তা মেরামত করা হইয়াছে। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে ২৩০২৭৫১/- টাকা ব্যয়ে বহুতী হইতে আলমপুর হাট রাস্তা মেরামত করা হইয়াছে। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে ১১৩২৪৭০/- টাকা ব্যয়ে রায়পুর রেল ষ্টেশন বাজার হইতে বনবাড়ীয়া হাট পর্যন্ত রাস্তা মেরামত করা হইয়াছে। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে ৫৫৭৪৬২১/- টাকা ব্যয়ে শিয়ালকোল ইউপি হইতে পাইকোশা বাজার পর্যন্ত রাস্তা মেরামত করা হইয়াছে। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে ১৭৫৩০২০/- টাকা ব্যয়ে খানপাড়া স্পিনিং মিল হইতে জালালের বাড়ী ভায়া সূর্য্যের বাড়ী পর্যন্ত রাস্তার উন্নয়ন করা হইয়াছে। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে ৩০১৬৭৮৫/- টাকা ব্যয়ে কোণাগাতী আরএইচডি হইতে ডিআইজি ফিরোজ চাকলী পাকা রাস্তা পর্যন্ত রাস্তা উন্নয়ন করা হইয়াছে। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে ৩৯০০৫১৪/- টাকা ব্যয়ে চন্দ্রকোণা আরএইচডি হইতে ফকিরতলা বাজার রাস্তায় ২০ মিঃ চেইনেজে ৭৫ মিঃ দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার ব্রীজ নির্মাণ করা হইয়াছে। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে ৩৭৫৫৭৪৩/- টাকা ব্যয়ে ভূমিহীন ও অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বাসস্থান নির্মাণ করা হইয়াছে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ১৩৮০০১৪৪/- টাকা ব্যয়ে রায়পুর রেল ষ্টেশন বাজার হইতে বনবাড়ীয়া হাট সরকারপাড়া, জিপিএস পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন করা হইয়াছে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ৬৫৭৮৮৭৬/- টাকা ব্যয়ে শিয়ালকোল ইউপি হইতে রাস্তা মেরামত করা হইয়াছে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ৬৮৮৪২৯৩/- টাকা ব্যয়ে শিয়ালকোল ইউপি পোল্ট্রি ফার্ম হইতে ধুকুরিয়া হাট পর্যন্ত রাস্তা মেরামত করা হইয়াছে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ৩৮৩৫৫৬৪/- টাকা ব্যয়ে কান্দাপাড়া পাওয়ার ষ্টেশন গেট হইতে কল্যাণী পাকা রাস্তা পর্যন্ত রাস্তা উন্নয়ন করা হইয়াছে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ৪৮৬৯৯৫৪/- টাকা ব্যয়ে বনবাড়ীয়া ঈদগাহ্ মাঠ হইতে বনবাড়ীয়া- কালিয়া হরিপুর ইউপি পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন ও কালভার্ট নির্মাণ করা হইয়াছে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ৩০৯৫৫১৭/- টাকা ব্যয়ে চক শিয়ালকোল পাকা রাস্তা হইতে দক্ষিণের রাস্তা উন্নয়ন করা হইয়াছে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ২৭২৮৮৩২৬/- টাকা ব্যয়ে বাহিরগোলা হইতে নতুন ভাঙ্গাবাড়ী রাস্তায় ৫মিঃ চেইনেজে ৪৫ মিঃ দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার ব্রীজ নির্মাণ করা হইয়াছে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ২৫৬৯০৬১/- টাকা ব্যয়ে ফুলবাড়ী হইতে তৈলকুপি পুরাতন বগুড়া রাস্তা পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন করা হইয়াছে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ১৬৮১০০৫/- টাকা ব্যয়ে তৈলকুপি পুরাতন ওয়াবদা হইতে ফুলবাড়ী সড়ক উন্নয়ন করা হইয়াছে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ৩২৬৭৬৮১/- টাকা ব্যয়ে রাণীগ্রাম বটতলায় ৩ তলা ভবন বিশিষ্ট প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র নির্মাণ করা হইয়াছে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ৩৭১৮৫১২৫/-টাকা ব্যয়ে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলাধীন বারটার্নের আঞ্চলিক কার্যালয়ের জন্য অফিস ভবন নির্মাণ করা হইয়াছে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ৭৬৫০০০০০/- টাকা ব্যয়ে বারটার্নের আঞ্চলিক কার্যালয়ের ৪ তলা পর্যন্ত ৬ তলা ফাউন্ডেশন সহ প্রশিক্ষণ ও ডরমেটরী ভবন নির্মাণ করা হইয়াছে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ১৩৭০০০০০/- টাকা ব্যয়ে বহুতী হইতে আলমপুর হাট সড়ক নির্মাণ করা হইয়াছে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ১৭৯০০০০০/- টাকা ব্যয়ে বহুতী শিমুলতলা ধুকুরিয়া হাট পর্যন্ত সড়ক মেরামত করা হইয়াছে। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ২৩১৪২৫২/- টাকা ব্যয়ে বহুলী ডিসি হইতে কোনাবাড়ী মোড় এনএইচডব্লিউ ভায়া চন্ডিদাসগাতী হাট পর্যন্ত রাস্তা মেরামত করা হইয়াছে। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ২৭৩৫০২৪/- টাকা ব্যয়ে পোড়াবাড়ী হাট হইতে ইউপি পর্যন্ত রাস্তা মেরামত করা হইয়াছে। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ২৯৫৩৫৫৯/- টাকা ব্যয়ে কালিয়া হরিপুর ইউপি হইতে পাইকপাড়া বাজার রাস্তা মেরামত করা হইয়াছে। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ২৩৭২২৪৪/- টাকা সারটিয়া মাদ্রাসা মোড় আরএইচডি হইতে রান্ধুনীবাড়ী জিসি রাস্তা মেরামত করা হইয়াছে। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ৪৭২২৩৯৫/- টাকা ফকিরতলা আরএইচডি হইতে খোকশাবাড়ী ইউপি পর্যন্ত রাস্তা মেরামত করা হইয়াছে। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ৩০৮০৩৪৯/- টাকা ব্যয়ে যমুনা এপ্রোচ এনএইচডব্লিউ হইতে পঞ্চসোনা আব্দুল আজীজ মন্ডলের বাড়ী পর্যন্ত রাস্তা মেরামত করা হইয়াছে। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ২৮৩৩৫০০০/- টাকা ব্যয়ে নিয়ামত ইউজেডআর হইতে দেউজি ফেরিঘাট পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন করা হইয়াছে। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ২৪২৫০০০/- টাকা ব্যয়ে কান্দাপাড়া জিসি রোডে বড় সারটিয়া পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন করা হইয়াছে। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ৫১৬৩১০৫/- টাকা ব্যয়ে শিয়ালকোল ইউপি হইতে রহমতগঞ্জ বাজার পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন করা হইয়াছে। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ২২০১৩২৬৫/- টাকা ব্যয়ে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ভবন কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হইয়াছে।

এছাড়াও সিরাজগঞ্জ সদরে অসংখ্য স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান, মন্দির, শ্মশান, ব্রীজ, কালভার্ট, অফিস, আদালত, রাস্তা-ঘাট সংস্কার ও নির্মাণ করা হইয়াছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সিরাজগঞ্জের সমৃদ্ধির জন্য এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্প সমূহ বাস্তবায়নের জন্য আধুনিক সিরাজগঞ্জের রুপকার অধ্যাপক ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না এমপিকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়ী করবে বলে সাধারণ জনগণ বিশ্বাস করে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.