ব্রেকিং নিউজ
News Tangail

দাম্পত্য জীবনে যে পাঁচটি সুন্নত না মানায় সুখ হচ্ছে না

আধুনিক এই যুগে আমরা এতোটাই ব্যস্ত হয়ে পড়ি যে একে অপরকে সময় দিতে পারি না। এর কারণে দাম্পত্য জীবনের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। আল্লাহ তাআলা রাসূলুল্লাহ (স.)র মধ্যে একটি নিখুঁত প্রতিকৃতি মানব জাতিকে উপহার দিয়েছেন। রাসুলের (স.) সুন্নাত অনুসরণের মাঝেই রয়েছে চুড়ান্ত সফলতা।

দাম্পত্য জীবনে পাঁচটি কার্যকর-শক্তিশালী নবী (স.) দিক নিদের্শনা তুলে ধরা হলো-

একে অপরের (স্বামী-স্ত্রী) সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল থাকা: আমাদের রাসুল (স.) বেশিরভাগ সময়ই হাস্যোজ্জ্বল থাকতেন। এমনকি রাসুলের (স.) স্ত্রীরা বলতেন যে, আমরা তার থেকে বেশি হাস্যোজ্জ্বল অবয়বময় আর কাউকে দেখিনি । এটা ভুলে গেলে চলবে না যে- একটি হাসি কতটা পাওয়ারফুল হতে পারে। স্বামী-স্ত্রী সুখে এবং দুঃখে সব সময়ই এক সঙ্গে থাকে।

সুতরাং নিজেদের মুখ গোমরা না করে রেখে সদা হাস্যোজ্জ্বল রাখাই হবে উভয়ের কতর্ব্য। এছাড়াও আমাদের নবী (স.) বলেছেন, একটি হাসিও হতে পারে সদকা। (আল-হাদিস)

একে অপরের (স্বামী-স্ত্রী) সঙ্গে ভালো কথা বলুন: আমাদের নবী (স.) বলেন, যে আল্লাহকে এবং শেষ দিবসকে বিশ্বাস করে সে যেন ভালো কথা বলে অথবা চুপ থাকে। (আল-হাদিস) এটা স্বামীদের কর্তব্য, বিশেষত যখন স্বামী-স্ত্রী কাছাকাছি থাকেন। সুতরাং প্রতিদিন আপনি আপনার স্ত্রীর প্রশংসা করার চেষ্টা করুন।

একে অপরের (স্বামী-স্ত্রী) ওপর রাগ করবেন না: যখন হজরত আলী (রা.) হজরত ফাতেমাকে (রা) বিবাহ করেছেন, তখন রাসূল (স.) হজরত আলীকে (রা.) একটি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ দিয়েছেন। উপদেশটা এতোটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিলো যে, আমাদের নবী সেটাকে তিনবার বলেছেন। উপদেশটি হলো- পারিবারিক কোনো কারণে তুমি রাগ করবে না।

স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে ঘুরতে বের হন: আমাদের রাসূল (স.) স্ত্রীদের সঙ্গে অনেক সময় কাটাতেন। তিনি এক ছাদের নিচে আলাদা আলাদা থাকতেন না। নবী (স.) স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে হাঁটতে বের হতেন। ঘুরতে যেতেন। এমনকি বিভিন্ন কাজে তার পরামর্শও নিতেন।

স্ত্রীকে বলুন, আমি তোমাকে ভালোবাসি: আল্লাহর নবী (স.) কখনো এটা বলতে ভয় করেননি। আমাদের ধর্মের এমনটা বলতে উৎসাহিত করা হয়েছে। কেননা এই কথা পারিবারিক অনেক সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.