নৌকায় গণধর্ষণের পর বস্ত্রহীন অবস্থায় কিশোরী উদ্ধার

নরসিংদীতে এক কিশোরীকে (১৩) গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত রবিবার শেষ বিকেলে কিছু কেনাকাটার জন্য ওই কিশোরী স্থানীয় কালাইগোবিন্দপুর বাজারে যায়। কেনাকাটা শেষে বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় নওয়াব আলী স্কুলের পশ্চিম পাশের গলিতে পৌছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা আসামিরা কিশোরীর মুখ ও চোখ চেপে ধরে। এসময়, পাশে রাখা একটি ডিঙ্গি নৌকা করে পার্শ্ববর্তী দড়িনবীপুরা এলাকায় নবনির্মিত মেঘনা সেতুর নির্জন স্থানে নিয়ে যায়।

সেখানে আগে থেকেই একটি নৌকা বাঁধা অবস্থায় ছিল। সেখানে নিয়ে গিয়ে প্রথমে অভিযুক্ত সাদ্দাম ও পরে সজিব এবং ফরহাদ পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে বস্ত্রবিহীন অবস্থায় তাকে ছেড়ে দিয়ে চলে যায়। পরে ওই কিশোরী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় পার্শ্ববর্তী এলাকায় গিয়ে একজনের বাড়ি থেকে কাপড় নিয়ে তা পরিধান করে স্থানীয় মোস্তফা মেম্বারের মাধ্যমে বাড়িতে খবর পাঠায়।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার কিশোরীর নানী বাদি হয়ে ৩ জনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। আসামিরা হলেন, সদর উপজেলার কালাইগোবিন্দপুর এলাকার মোহন মিয়ার ছেলে সাদ্দাম মিয়া(২৫), একই এলাকার বিল্লাল মিয়ার ছেলে সজিব (২২) ও সুরুজ মিয়ার ছেলে ফরহাদ(২৩)।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ওই কিশোরী তার নানীর বাড়িতে থেকে ঘরের কাজকর্ম করত।

পরে বাড়ির লোকজন ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার করে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে নরসিংদী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দুজ্জামান বলেন, ‘এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ওই কিশোরীর নানী বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।’

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.