News Tangail

ধর্ষণ কাণ্ড:-নাইকির ১শ’ কোটি টাকার চুক্তি হারাচ্ছেন রোনালদো!ল

নয় বছর আগে তার বিরুদ্ধে উঠা ধর্ষণের অভিযোগের মামলা আবারও তদন্ত শুরু হওয়ায় বিপদে পর্তুগালের মহাতারকা স্ট্রাইকার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

রোনালদো নিজে মার্কিন মহিলার ধর্ষণের অভিযোগকে ভুয়া খবর বলে উড়িয়ে দিলেও মার্কিন ক্রীড়াসরঞ্জাম প্রস্তুতকারী সংস্থা নাইকি কিন্তু ব্যাপারটাকে বেশ গুরুত্ব দিচ্ছে। যেহেতু রোনালদোর বিরুদ্ধে অভিযোগটা গুরুতর ও নারীঘটিত তাই তারা বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
সূত্রের খবর, নাইকি রোনালদোর সঙ্গে একশত কোটি ডলারের চুক্তি বাতিল করতে পারে। আর তাই রোনালদোর বিরুদ্ধে উঠা ধর্ষণ-অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে কথা বলছে নাইকি। তবে তার ক্লাব জুভেন্তাস রোনালদো পাশে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার পর্তুগালের জাতীয় দলের কোচ ফার্নান্দো স্যান্টোস জানিয়ে দেন, পোল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচ রয়েছে। কিন্তু সে দলে দেখা যাবে না জুভেন্তাসের মহাতারকা রোনালদোকে। তবে রোনালদোকে দলে না রাখার পিছনে ধর্ষণ কাণ্ডের অভিযোগের কোনও যোগ নেই বলেই জানানো হয়েছে।

দেশের জার্সিতে সেপ্টেম্বরে ক্রোয়েশিয়া এবং ইতালির বিরুদ্ধেও খেলেননি তিনি। এবার আগামী মাসে উয়েফা ন্যাশানস লিগে পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে এবং স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচটিতেও দলের বাইরেই থাকতে হবে তাকে।

পর্তুগালের কোচ জানান, রোনালদোকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। সাসপেনশনের কারণে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গত ম্যাচে ক্লাবের হয়ে মাঠে নামতে পারেননি তিনি।

নয় বছর আগের ধর্ষণ কাণ্ড নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছেন পর্তুগালের মহাতারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। ২০০৯ সালে লাস ভেগাসে এক হোটেলের ক্যাসিনোতে রোনালদো তাকে ধর্ষণ করেছিলেন বলে অভিযোগ জানিয়েছিলেন এক মার্কিন মহিলা। কিন্তু সেভাবে প্রমাণ না মেলায় রোনালদোর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি মার্কিন পুলিশ। নয় বছর বাদে সেই ধর্ষণ কাণ্ডে এক বড় প্রমাণ জোগাড় করে জুভেন্তাসের এই তারকার বিরুদ্ধে ফের ময়দানে নামলেন সেই মহিলা।

লাস ভেগাস পুলিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মহিলা যে প্রমাণ তাদের হাতে তুলে দিয়েছেন, তাতে তার বিরুদ্ধে আবারও তদন্ত শুরু করা হচ্ছে। এমন খবরই প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন মার্কিন সংবাদমাধ্যমে। ভেগাসে একটি হোটেলের ক্যাসিনোয় ৩৪ বছর বয়সী ক্যাথরিন মায়োরগা নামের এক মার্কিন মহিলার সঙ্গে পরিচয় হয় রোনালদোর। রোনালদো নাকি তখন তাকে নিজের রুমে যেতে বলেন। কিন্তু তিনি তাতে রাজি না হওয়ায় জোর করে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে রোনাল্ডো ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ।

ধর্ষিত হওয়ার পর স্থানীয় পুলিশের কাছে রোনালদোর বিরুদ্ধে একটি মামলাও করেছিলেন। কিন্তু উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে সে মামলা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

তবে শোনা যাচ্ছে, হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ অনেক কষ্টে জোগাড় করেন সেই মহিলা। তারপরেই আবারও খুলছে সেই ধর্ষণ মামলা। তবে জার্মানির দের স্পিগেলে প্রকাশিত এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন জুভেন্তাসের এই পতুর্গিজ তারকা।

এমনও অভিযোগ ক্যাথরিন ২০১০ সালে রোনালদোর সঙ্গে ৩ লাখ ৭৫ হাজারের মার্কিন ডলারের একটি চুক্তিতে আসেন, যেখানে খবরটি ফাঁস না করার শর্ত দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই মহিলার আইনজীবিরা এই নিয়ম ভেঙে রোনালদোর কুকীর্তি প্রকাশ করতে চাইছেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.