ব্রেকিং নিউজ :
News Tangail

সখীপুরে গাছে গাছে পেরেক ঠুকে টাঙানো হচ্ছে ব্যানার-ফেস্টুন

ইসমাইল হোসেন: গাছ পরিবেশ ও মানুষের পরম বন্ধু। কিন্তু এই গাছ উপকারী বন্ধু হলেও মানুষের নির্মম অত্যাচার থেকে রক্ষা পাচ্ছে না। টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বিভিন্ন সড়কের পাশের গাছে গাছে পেরেক ঠুকে লাগানো হচ্ছে ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টারসহ বিভিন্ন ধরনের রাজনীতিক নেতাদের শুভেচ্ছা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং পণ্যের বিজ্ঞাপন।

এতে গাছগুলো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। মরে যাচ্ছে অনেক গাছ। হারিয়ে যাচ্ছে স্বাভাবিক সৌন্দর্য্যও। সম্প্রতি পৌরশহসহ উপজেলার বড়চওনা, কচুয়া, নলুয়া, যাদবপুর, মহানন্দনপুর, কুতুবপুর, প্রতিমাবংকী, এয়ারর্পোট বাজার, কালিয়া বাজার, বেলতলী, কালিদাস, রামখাঁবাজারসহ বিভিন্ন সড়ক সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, সড়কের পাশের গাছে গাছে ঝুঁলছে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের শুভেচ্ছা ও কোচিং সেন্টার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, চিকিৎসক, হারবাল ওষুধ কোম্পানীর প্রচারণার অসংখ্য ফেস্টুন। এসব ফেস্টুনের অধিকাংশই পেরেক দিয়ে গাছে আটকানো হয়েছে।

উপজেলার কৈয়ামধু গ্রামের মালেক মিয়া ও বড়চওনা গ্রামের ওবায়দুর রহমান ও ছাবের উদ্দিন বলেন, ‘সড়কের পাশের অধিকাংশ গাছে বেশ ক’টি করে পেরেক মেরে বোর্ড টাঙানো হয়েছে। গাছে নির্বিচারে পেরেক লাগানোর কারণে সড়কের অনেক গাছ মরে যাচ্ছে। গাছে পেরেক মারা বন্ধ না হলে অনেক গাছগুলোই মরে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।

সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজের জীববিজ্ঞনের সহকারী অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বলেন, গাছের প্রাণ আছে। একেকটি গাছ যেন একেকটি অক্সিজেনের ফ্যাক্টরি। অক্সিজেন ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না। পেরেক লাগানোর কারণে গাছের গায়ে ছিদ্র হয়, তা দিয়ে পানি ও এর সাথে বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও অণুজীব প্রবেশ করে ওই স্থানে পঁচন ধরে। ফলে গাছের খাদ্য ও পানি শোষণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়ে এক সময় গাছটি মারা যেতে পারে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফায়জুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, গাছে পেরেক মারলে ওই অংশে পানি জমে পঁচে গিয়ে গাছ মারাও যেতে পারে।

Please follow and like us:
error0
fb-share-icon20
Tweet 20
fb-share-icon20

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial