টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় এমপি রানার উপস্থিতিতে স্বাক্ষ্য গ্রহণ

নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্ক: টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় এমপি আমানুর রহমান খান রানার উপস্থিতিতে স্বাক্ষ্য গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার প্রধান আসামী টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সরকার দলীয় এমপি আমানুর রহমান খান রানার উপস্থিতিতে তিনজনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা অনুষ্ঠিত হয়।

টাঙ্গাইল আদালত পরিদর্শক আনোয়ারুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাকসুদা খানমের আদালতে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার স্বাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন আদালতে মামলার বাদিপক্ষের সাক্ষী খালেকুজ্জামান, সুরুজ্জামান ও মির্জা রানার স্বাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা অনুষ্ঠিত হয়। এই তিন স্বাক্ষীসহ আদালতে মোট ১১জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত হলো। এর আগে গত (১১ ফেব্রুয়ারী) বাদি নাহার আহমেদের স্বাক্ষ্য গ্রহণের মধ্যদিয়ে চাঞ্চল্যকর এই মামলার স্বাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।

পরে আদালত আগামী (৩১ জানুয়ারি) এই মামলার স্বাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য করেন। গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে এ মামলার প্রধান আসামী এমপি আমানুর রহমান খান রানাসহ টাঙ্গাইল কারাগারে থাকা আরো তিন আসামি মোহাম্মদ আলী, আনিছুর রহমান রাজা ও সমিরকে আদালতে হাজির করা হয়। এছাড়া জামিনে থাকা আসামি নাসির উদ্দিন নুরু, মাসুদুর রহমান মাসুদ ও ফরিদ আহম্মেদ আদালতে হাজিরা দেন।

উল্লেখ্য, বিগত ২০১৩ সালের (১৮ জানুয়ারি) রাতে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলাটি টাঙ্গাইল মডেল থানা পুলিশ তদন্ত করলেও পরবর্তীতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে এবং গত বছর ৩ ফেব্রুয়ারি এমপি রানা ও তার তিনভাইসহ মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.