ব্রেকিং নিউজ

কর্মক্ষেত্রে ঠান্ডাজনিত সমস্যা প্রতিরোধে করনীয় ——-ডা. রুনা লায়লা

——————-ডা. রুনা লায়লা
এইচআর অ্যান্ড লার্নিং ডিভিশন, ব্র্যাক।

আমাদের শরীরে সারা বছরই ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে। ভাইরাসের কারণে সচারচর মানুষ যে,অসুস্থ্যতায় ভোগে তা হলো শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ । তবে ঠান্ডা জনিত সমস্যার প্রকোপ বেশি দেখা যায় সেপ্টেম্বর থেকে মাচর্ এপ্রিল মাস পর্যন্ত। কর্মক্ষেত্রে খুব সহজেই এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তি এবং এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে ।

কর্মক্ষেত্রে ঠান্ডাজনিত সমস্যা বিস্তার প্রতিরোধে করনীয়:

ক) স্বাস্থ্য বধিি অনুশীলন:
 সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে এবং হাত শুকানোর মেশিন অথবা টিস্যু পেপার দিয়ে হাত শুকিয়ে ফেলতে হবে।
 সাবানের ব্যবস্থা না থাকলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে।
 হাতের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ানোর সম্ভবনা বেশি থাকে এজন্য হাত দিয়ে মুখ চোখ এবং নাক স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
 পানির পাত্র প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হবে।
 অন্যের সঙ্গে শেয়ার করা জিনিস যেমন ফোন, কিবোর্ড, দরজার হাতল ইত্যাদি অ্যালকোহল বা স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।
 আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে দূরে থাকতে হবে এবং ভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।
 কাপ, গ্লাস অথবা স্ট্র অন্যের সঙ্গে শেয়ার করবেন না।
 হাঁচি বা কাশির সময় টিস্যু ব্যবহার করতে হবে , টিস্যু বিনে ফেলতে হবে এবং তারপর হাত ধুয়ে ফেলতে হবে।
 প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে।

খ) খাদ্যাভাস পরিবর্তন:
 স্বাস্থ্যকর খাবার যেমন লাল আটা বা লাল চাল ,টাটকা ফলমূল এবং শাকসবজি খেতে হবে।
 প্রচুর তরল জাতীয় পানীয় পান করতে হবে।
 ভিটামিন সি,ডি এবং জিঙ্কযুক্ত খাবার প্রচুর পরিমানে খেতে হবে। যেমন আমলকি, টমেটো, লেবু, দুধ বা দুধের তৈরি খাবার, মাছের তেল,মাংস ,সামুদ্রিক খাদ্য ইত্যাদি। এ সকল খাবার আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সংক্রমণ রোধে সহায়তা কর।
গ) জীবনাচার পরিবর্তন:
 পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে এবং দূশ্চিন্তা মুক্ত থাকতে হবে।
 প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট মুক্ত বাতাসে হাঁটতে হবে এবং হালকা ব্যায়াম করতে হবে ।

নোট : ১.কমপক্ষে ১৫-২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে ।
২.কোনো মারাতœক সমস্যা হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.