ব্রেকিং নিউজ

টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা-জামালপুর ন্যাশনাল হাইওয়ে প্রশস্তকরণ প্রকল্পের কাজ চলছে

নিউজ টাঙ্গাইল ডেস্ক: টাঙ্গাইলে এলেঙ্গা-জামালপুর ন্যাশনাল হাইওয়ে প্রশস্তকরণ প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে এই প্রকল্পের কাজ। এটি কালিহাতীর এলেঙ্গা পৌর এলাকা থেকে শুরু হয়ে কালিহাতি উপজেলা, ঘাটাইল, মধুপুর, গোপালপুর, ধনবাড়ি, জামালপুর সড়ক হয়ে সরিষাবাড়ি পর্যন্ত যাবে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই শুরু হয় এই উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ।

জানা যায়, গত ৩ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে একনেকের ২১তম সভায় অনুমোদিত হয় এলেঙ্গা-জামালপুর ন্যাশনাল হাইওয়ে প্রশস্তকরণ প্রকল্প। তখন সভা শেষে তৎকালীন পরিকল্পনা মন্ত্রী এ এইচ এম মুস্তফা কামাল বলেন, ৪৮৯ দশমিক ৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে এলেঙ্গা-জামালপুর ন্যাশনাল হাইওয়ে প্রশস্তকরণ করা হবে। সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ ২০২০ সাল নাগাদ প্রায় ৭৭ দশমিক ৬০ কিলোমিটার মহাসড়ক চার লেনে পরিণত করবে। এই চার লেন মহাসড়ক এলেঙ্গা, কালিহাতি, ঘাটাইল, মধুপুর, গোপালপুর, ধনবাড়ি, জামালপুর সড়ক এবং সরিষাবাড়ি হয়ে যাবে।

সূত্র থেকে জানা যায়, জয়দেবপুর-টাঙ্গাইল-জামালপুর সড়ক (এন-৪) একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়ক। সড়কটি জয়দেবপুর থেকে শুরু করে টাঙ্গাইল হয়ে জামালপুর শহরে গিয়ে শেষ হয়েছে। জাতীয় মহাসড়কের মানদন্ড অনুসারে সড়কটির প্রস্থ ৭ দশমিক ৩০ মিটার এবং উভয় পাশে ১ মিটার হার্ডসোল্ডার থাকা বাঞ্চনীয়। কিন্তু টাঙ্গাইল থেকে জামালপুর সড়কে ৫ দশমিক ৫ মিটার প্রস্থে নির্মিত যা জাতীয় মহাসড়ক মানের থেকে অপেক্ষাকৃত কম রয়েছে। এছাড়া সড়কটির দৈর্ঘ্য ১৪৭ কিলোমিটারের মধ্যে বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় ৬৯ কিলোমিটার সড়ক জাতীয় মহাসড়ক মানে নির্মাণ করা হয়েছে।

অবশিষ্ট ৭৮ কিলোমিটার সড়ক বিবেচ্য প্রকল্পের আওতায় জাতীয় মহাসড়ক মানে উন্নয়নের জন্য প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়েছে।

এলেঙ্গা সংযোগ স্থলে বঙ্গবন্ধু সেতু প্রবেশ সড়কের সাথে সংযুক্ত ও অর্থনৈতিক কারণে সড়কটির উন্নয়ন প্রয়োজন। এছাড়া সড়কটির উন্নয়ন হলে এ অঞ্চলের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবাসহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, কৃষি ও শিল্প পণ্য এবং সারাদেশে পরিবহন ও বাজারজাতকরণ করা আরো সহজ হবে।

প্রকল্পটি বিষয়ে ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য জুয়েনা আজিজ পরিকল্পনা কমিশনের মতামতে বলেছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে টাঙ্গাইল জেলার এলেঙ্গা থেকে জামালপুর জেলার সদর উপজেলা পর্যন্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করা হবে। এ সড়কটি নির্মাণ হলে এ অঞ্চলের জনসাধারণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি করা সম্ভব হবে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.