ব্রেকিং নিউজ

মাত্রাতিরিক্ত মোবাইল ফোনের ব্যবহার ও তার কুফল –ডা.রুনা লায়লা

বর্তমান বিশ্বে মোবাইল ফোন একটি অতি প্রয়োজনীয় উপকরণ। মোবাইল ফোন এর ব্যবহার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সহজ করেছে। তবে মোবাইল ফোনের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার শারিরীক ও মানসিক বিভিন্ন সমস্যার কারণ হতে পারে । বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে মোবাইল ফোনের ইলেকট্রো মেগনেট্রিক রেডিয়েশনের ফলে ক্যান্সারের মত মারাত্নক রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

ক্ষতি কর দিক সমূহ :
শিশুদের ক্ষেত্রে :
 মোবাইল ফোনের স্ক্রীনের প্রতি মাত্রারিক্ত আসক্তি হতে পারে
 পড়াশোনায় মনোযোগের অভাব
 চোখের ক্ষতি
 একা থাকার প্রবনতা বাড়ে
 সামাজিকীকরণের অভাব
 খেলা ধুলার প্রতি অনিহা
 শিশুরা বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।

বড়দের ক্ষেত্রে :
 মাথাব্যথা
 ঘুম কম হওয়া ,
 সন্দেহ বা সংশয়
 স্মৃতিশক্তি কমে যেতে পারে
 ব্রন বা মমিÍষ্ক, স্যালাইভারি ও প্যারোটিড গ্রন্থিতে টিউমার এবং ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে
 বিষন্নতা বাড়ায়
 কানের ভেতরে ভোঁ ভোঁ শব্দ করে
 প্রচন্ড হাঁড়ে ব্যথা : (কাঁধ, কনুই,কব্জি)
 সড়ক দূর্ঘটনার পরিমান বেড়ে যায়
 অতিরিক্ত মোবাইল আসক্তি অফিসে কাজের সময় নষ্ট করে ।

গর্ভবতী:
গর্ভবতী মার বিষন্নতা দেখা দিতে পারে । গবেষনায় দেখা গিয়েছে, যে মা গর্ভাবস্থায় কম মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন তাদের শিশুদের ৯৭% আচারণগত সমস্যা কম হয় । আর যে মা গর্ভাবস্থায় বেশি মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন তাদের শিশুদের ১৮% আচারণগত সমস্যা বেশি হয় । শিশুর আচারণগত সমস্যাগুলি যেমন মনোযোগের ও সামাজিকতার অভাব ইত্যাদি।

মোবাইল ফোন ব্যবহারের নিয়ম :
 ৩ মিনিটের বেশি মোবাইল ফোন ব্যবহার করা উচিত না।
 ২০ সেকেন্ড মোবাইল ব্যবহার করা উত্তম।
 একবার কথা বলার পর অবশ্যই ১৫ মিনিটের বিরতি দিতে হবে ।

পরামর্শ :
 ঘুমের সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন এমনকি বেডরুমেও মোবাইল ফোন রাখা থেকে বিরত থাকুন। আপনার শিশুর কাছ থেকে মোবাইল ফোন দূরে রাখুন ।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.