সখীপুরে রাস্তার দু’পাশে পুকুর; হুমকিতে বড়চওনা-ধইন্যাজানি সড়ক

এম সাইফুল ইসলাম শাফলু: টাঙ্গাইলের সখীপুরে বড়চওনা-ধইন্যাজানি সড়কের ইন্দ্রারজানি বাজার থেকে গড়বাড়ি তিন রাস্তার মোড় পর্যন্ত সড়কের দু’পাশে একের পর এক পুকুর কাটায় ওই সড়কটি এখন ঝুকিঁপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এতে করে রাস্তাটির অস্তিত্ব এখন হুমকির মুখে পড়েছে। এ নিয়ে ওই রাস্তায় চলাচলকারীরা অনেকটাই আপত্তি তুলেছেন।

জানা যায়, উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় সড়ক হচ্ছে বড়চওনা-ধইন্যাজানি সড়ক। সড়কটির কাজ এখন চলমান রয়েছে। ওই সড়কের ইন্দ্রারজানি বাজার থেকে গড়বাড়ি তিন রাস্তার মোড় পর্যন্ত সড়কের দু’পাশে পুকুর কেটেছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা।

জানা যায়, স্থানীয় আ.লীগ নেতা সবুর মিয়াসহ ওই এলাকার প্রভাবশালী আলম মিয়া, ইদ্রিস আলী, হযরত আলী, সিদ্দিক হোসেন ও শফিকুল ইসলাম মিলে সড়কের দু’পাশের জমি লিজ নিয়ে পুকুর কেটে মাছ চাষ করছেন। যে কারণে ওই সড়কটি এখন অনেকটাই ঝুকিঁপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। দু’’পাশে পুকুুর থাকায় সামনের বর্ষায় রাস্তাটি ভেঙে পুকুরের মধ্যে চলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এতে ব্যাপক দুর্ভোগের শিকার হবেন ওই রাস্তায় চলাচলকারীরা।

ওই সড়কে চলাচলকারী স্থানীয় ধীরেন চন্দ্র দাস বলেন, সড়কের দু’পাশে পুকুর থাকায় সড়কটি অনেক ঝুকিপুর্ণ অবস্থায় রয়েছে। গত সপ্তাহে ওই জায়গায় একটি ট্রাকটি ওল্ট্রে গিয়ে প্রায়ই পুকুরে গিয়েছিল। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছে চালক ও হেলপাররা।

স্থানীয় ব্যবসায়ী রিপন মিয়া বলেন, এটি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় সড়ক হলেও ভারি যানবাহন চলাচল করা সম্ভব নয়। কারণ ওই সড়কের এক জায়গায় দু’পাশে পুকুর থাকায় সড়কের মাটি পুকুরে পড়ে গিয়ে ঝুকিঁপূর্ণ অবস্থায় হয়েছে। এ কারণে প্রায়ই এখানে ভারী যানবাহন ফেঁেস যাচ্ছে। এখানে যেকোন সময় বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

এ বিষয়ে মাছচাষকারী ও আ.লীগ নেতা সবুর হোসেন ও আলম মিয়া ওই সড়কের দু’পাশে পুকুর থাকায় রাস্তাটি টেকসই হবেনা বলে স্বীকার করে বলেন, আমরা এ জমি লিজ নিয়ে পুকুর কেটে মাছ চাষ করছি মাত্র।

কাকড়াজান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. তারিকুল ইসলাম বিদ্যুৎ বলেন, সড়কটি বড় হলেও ওই জায়গাটি খুবই ঝুকিঁপূর্ণ। যে কারণে ভারী যানবাহন চলা কঠিন হচ্ছে। এ ব্যাপারে তিনি উর্দ্ধতন কর্তপক্ষের কাছে বিষয়টি জানিয়েছেন বলে দাবি করেন।

উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাহাদ কুদ্দুস বলেন-বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে অবগত করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আমিনুর রহমান বলেন, কোন অভিযোগ না পেলেও বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন বলে জানান।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.