টাঙ্গাইলে ১২ উপজেলায় ১৫৯ প্রার্থী

নিজস্ব প্রতিনিধি: আগামী ৩১ মার্চ টাঙ্গাইলে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চতুর্থ ধাপে জেলার সব কয়টি উপজেলা (১২টিতে) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। টাঙ্গাইলে ১২টি উপজেলায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১৫৯ জন। এদের মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী ৪১, ভাইস-চেয়ারম্যান ৬৫ ও মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থী ৫৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ৩টি উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। তবে এই ৩টি উপজেলায় ভাইস-চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই ৩ উপজেলা হলো,ধনবাড়ী,মধুপুর ও গোপালপুর ।

এ ছাড়া টাঙ্গাইলের ৭টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের পাশাপাশি দলের অনন্ত ১১ জন বিদ্রোহী প্রার্থী (স্বতন্ত্র) রয়েছে। ফলে ওই উপজেলাগুলোতে নির্বাচন আওয়ামী লীগের নিজেদের মধ্যেই লড়াই হবে। এছাড়া বিএনপি নির্বাচনে না আসায় ৪ উপজেলায় বিএনপির ৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন ।

প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রার্থীরা মাঠ-ঘাট চষে বেড়াচ্ছেন তারা । জয়ের আশায় ছুটছেন প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। চালাচ্ছেন নির্ঘুম প্রচারনা। উপজেলা সদর থেকে পাড়া-মহল্লায় ছেয়ে গেছে প্রার্থীদের পোস্টার ব্যানারে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে মাইকিং আর প্রার্থীদের বিরামহীন গণসংযোগ। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ফুরসৎ মিলছে না আর ভোটাররাও উপভোগ করছেন নির্বাচনী আমেজ।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা : এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন  প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান আনছারী  (নৌকা), আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম (আনারস) স্বতন্ত্র  প্রার্থী, বহিষ্কৃত টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী  (ঘোড়া) ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) মামুনুর রহমান (আম)।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১২ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, এরা হলেন, বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান আব্বাস আলী (টিউবওয়েল) , আবু সাইম তালুকদার বিপ্লব (পালকি) , এস. এম জহিরুল ইসলাম (বই), নাজমুল হুদা নবীন (তালা),মির্জা সাইফুল হোসেন (বাল্ব), মীর মাহমুদুল ইসলাম (টাইপ রাইটার) , মোহাম্মদ সোহেল  রানা (গ্যাস সিলিন্ডার) , আকরাম হোসেন (চশমা) , আলমগীর হোসেন (মাইক) ,  ওমর ফারুক বিল্পব (উড়োজাহাজ) , মোস্তফা মিয়া (আইসক্রিম) ,  রেজাউল করিম (টিয়া)।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন,এরা হলেন, উষা আকতার (প্রজাপতি) , কামরুন্নাহার (বৈদ্যুতিক পাখা), পপি (পদ্ম ফুল), ফাহমিদা আনছারী (সেলাই মেশিন), লায়লা আক্তার লিপি (হাঁস), শামিমা আক্তার (কলস) , শাহিন আরা মিষ্টু (ফুটবল)।

এ উপজেলায় মোট ভোটার  ৩ লাখ ৮০ হাজার ৩৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৭৩ জন ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৬৫ জন। মোট কেন্দ্র ১২৭টি।

ধনবাড়ী উপজেলা : এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হারুনার রশিদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ভাইস-চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা হলেন,মোহাম্মদ শামছুল হুদা, খালিদুল ইসলাম বকল, সাইফুল ইসলাম। মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা হলেন, খন্দকার জেব-উন নাহার, কল্পনা বেগম, মমতাজ খান।

এ উপজেলায় মোট ভোটার  ১ লাখ ৪২ হাজার ১৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬৯ হাজার ৬৪৮ জন ও মহিলা ভোটার ৭২ হাজার ৪৯২ জন। মোট ভোট কক্ষ ৩৫০ টি  ও  মোট কেন্দ্র ৫৬টি।

মধপুর উপজেলা : চেয়ারমান পদে এ উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছরোয়ার আলম খান আবু বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

ভাইস-চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা হলেন, খন্দকার সামছুল আরেফীন, মুহাম্মদ মোহসীনুল কবির, ফজলুল হক মনি, হেলাল উদ্দিন, শরীফ আহমেদ। মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা হলেন,নাজমা বেগম ও যষ্ঠিনা নকরেক।

এ উপজেলায় মোট ভোটার  ২ লাখ ২২ হাজার ৯২৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯৪ হাজার ১৬ জন ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০৯ জন। মোট ভোট কক্ষ ৫২১ টি ও মোট কেন্দ্র ৮৩টি।

মির্জাপুর উপজেলা : এ উপজেলায় চেয়ারমান পদে ৪ জন  প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এরা হলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী মীর এনায়েত হোসেন মন্টু, ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টি’র প্রার্থী লাল মিয়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপি সদস্য (পদত্যাগপ্রাপ্ত) ফিরোজ হায়দার খান, রূপা রায় চৌধুরী। ভাইস-চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা হলেন, আজহারুল ইসলাম, আবুল কাশেম, সেলিম সিকদার। মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা হলেন,খালেদা সিদ্দিকী,মীর্জা শামীমা আক্তার, সালমা সালাম উর্মি।

এ উপজেলায় মোট ভোটার ৩ লাখ ২২ হাজার ৭৪৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৯ হাজার ৯৩৬ জন ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ৬২ হাজার ৮১২ জন। মোট ভোট কক্ষ ৭৯৫ টি ও মোট কেন্দ্র ১২০টি।

দেলদুয়ার উপজেলা : এ উপজেলায় চেয়ারমান পদে ৩ প্রার্থী প্রতিদ্বদ্বিতা করছেন। এরা হলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফজলুল হক, স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহমুদুল হাসান এবং মতিয়ার রহমান মিয়া। ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন, ছালাম ভূইয়া, এসএম এহসানুল হক সুমন, মাসুদ রানা, তোফায়েল হোসেন, মো. মাসুদ ও নজরুল ইসলাম। মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৩ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন,দেওয়ান তাহমিনা, ফিরোজা বেগম ও নাহিদা সুলতানা পলি।

এ উপজেলায় মোট ভোটার ১ লাখ ৬১ হাজার ৩৯৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮০ হাজার ৪৮২ জন ও মহিলা ভোটার ৮০ হাজার ৯১৪ জন। মোট ভোট কক্ষ ৩২৭ টি ও মোট কেন্দ্র ৫৬টি।

নাগরপুর উপজেলা : এ উপজেলায় চেয়ারমান পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বদ্বিতা করছেন। এরা হলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী কুদরত আলী, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদের প্রার্থী সমসের খান, স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আব্দুছ ছামাদ, আরিফুর রহমান খান, বহিষ্কৃত উপজেলা মহিলা দলেল সভাপতি  জিয়াসমিন আক্তার, আব্দুল কদ্দুছ মিয়া। ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন, কোহিনুর হোসেন, ফরিদুর রহমান, মোজাহিদুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির ও রফিজ উদ্দিন।,মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন, খন্দকার দিলরুবা করিম, ছামিনা বেগম শিপ্রা, জাহানারা খাতুন, ফরিদা বেগম, সাফিয়া ইউসুফ, রৌশনারা মাসুদা।

এ উপজেলায় মোট ভোটার ২ লাখ ২৯ হাজার ৫৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১৩ হাজার ৫৬১ জন ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ১৫ হাজার ৪৯৩ জন। মোট ভোট কক্ষ ৬০৫ টি ও মোট কেন্দ্র ৮৫টি।

ঘাটাইল উপজেলা : এ উপজেলায় চেয়ারমান পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বদ্বিতা করছেন। এরা হলেন,আওয়ামী লীগের প্রার্থী শহিদুল ইসলাম লেবু। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ,বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আরিফ হোসেন, দলের উপজেলা শাখার সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলাম খান হেষ্টিংস,আওয়ামী লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম খান। জাকের পার্টির প্রার্থী মনিরুজ্জামান খান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এহসান আবদুল্লাহ। ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন, কাজী আরজু (তালা), আব্দুল্লাহ আল মামুন (টিউবওয়েল), সুমন খান বাবু (টিয়া পাখি), সুলতান মাহমুদ তালুকদার (চশমা), সজীব রায় (মাইক)। মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন, আফিয়া বেগম (পদ্ম ফুল), কানিজ ফাতেমা (হাঁস), তাসলীমা জেসমীন (প্রজাপতি), নুরজাহান সিদ্দিকা (ফুটবল), ফাহিমা তালুকদার (কলস), মীর আলেয়া পারভীন (বৈদ্যুতিক পাখা), মরিয়ম আক্তার (ফুলের টব), শাহীনা সুলতানা (সেলাই মেশিন)।

এ উপজেলায় মোট ভোটার ৩ লাখ ১৩ হাজার ৬০৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫৫ হাজার ২২২ জন ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ৫৮ হাজার ৩৮৩ জন। মোট ভোট কক্ষ ৭৫৫ টি ও মোট কেন্দ্র ১১৭টি।

ভূঞাপুর উপজেলা : এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বদ্বিতা করছেন। এরা হলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল হালিম (নৌকা)। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল লতিফ, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাসুদুর রহমান কর্নেল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম তালুকদার।  জাতীয় পার্টির প্রার্থী শামছুল হক তালুকদার (লাঙ্গল)।

ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন, কাজী রাশিদুল ইসলাম (টিয়া পাখি), আতোয়ার রহমান বাবলু (মাইক), জাকির হোসেন তরফদার (চশমা), মনিরুল ইসলাম (তালা), রাশেদুল আলম তালুকদার সেলিম (উড়োজাহাজ) ও সাহিনুল ইসলাম তরফদার (টিউবওয়েল)। মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন, আলিফনুর (প্রজাপতি), শামছুন্নাহার শাহীনুর (পদ্ম ফুল) হোসনে আরা বেবী (কলস)।

এ উপজেলায় মোট ভোটার ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৬২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার  ৭৪ হাজার ১১৯ জন ও মহিলা ভোটার ৭২ হাজার ২৪৩ জন। মোট ভোট কক্ষ ৩৫৬ টি ও মোট কেন্দ্র ৫৭ টি।

কালিহাতী উপজেলা : এ উপজেলায় চেয়ারমান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বদ্বিতা করছেন। এরা হলেন,আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোজহারুল ইসলাম তালুকদার (নৌকা), আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী  আনছার আলী (আনারস), ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এন.পি.পি)’র প্রার্থী মোহাম্মদ হারুন-অর রশিদ (আম)।

ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন, আখতারুজ্জামান (তালা), আবদুল মজিদ তোতা (উড়োজাহাজ), নুরুল আলমর (টিউবওয়েল), মো. নূরুন্নবী (চশমা)। মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন,ফাতেমা খাতুন (ফুটবল),  রিনা পারভীন (প্রজাপতি), রোকেয়া সুলতানা (কলস)ও হেনা বেগম (পদ্ম ফুল)।

এ উপজেলায় মোট ভোটার ৩ লাখ ১২ হাজার ১১২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার  ১লাখ ৫৫ হাজার ৪০৫ জন ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭০৭ জন। মোট ভোট কক্ষ ৬২০ টি ও মোট কেন্দ্র ১০৮ টি।

গোপালপুর উপজেলা : এ উপজেলায় চেয়ারমান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বর্তমান পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুছ ইসলাম তালুকদার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছে। ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন,এস এম রফিকুল ইসলাম (টিয়া পাখি), মীর রেজাউল হক (টিউবওয়েল) ও আব্দুল লতিফ (চশমা)।

মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন, মরিয়ম আক্তার (হাঁস), মোছা. রেনু (প্রজাপতি), রেবেকা সুলতানা (ফুটবল), হাসনা হেনা (পদ্মফুল) ও হোসনে আরা বেগম (কলস)।

এ উপজেলায় মোট ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার  ১লাখ ১০ হাজার ৯৫ জন ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ১১ হাজার ৯৩ জন। মোট ভোট কক্ষ ৫১৬ টি ও মোট কেন্দ্র ৭৫ টি।

বাসাইল উপজেলা : এ উপজেলায় চেয়ারমান পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বদ্বিতা করছেন। এরা হলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী মতিয়ার রহমান (নৌকা), আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী অলিদ ইসলাম (আনারস)  এবং বর্তমান পরিষদের চেয়ারম্যান উপজেলা বিএনপি সাবেক সভাপতি ও বহিষ্কৃকত নেতা শহীদুল ইসলাম (দোয়াত কলম)।

ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন,এস এম ফজলুল হক মিয়া (মাইক), নাজমুল হুদা খান বাহাদুর (পালকি), নুরুল ইসলাম খান (তালা), শাহাদত হোসেন খান (চশমা), সাইফুল ইসলাম (টিউবওয়েল), সাইফুল ইসলাম খান (উড়োজাহাজ) ও সাদিকুর রহমান খান (টিয়া পাখি)। মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন, জবেদা বেগম (প্রজাপতি), মলি আক্তার (ফুটবল), রেখা বেগম (হাঁস), রোজিনা মফিজ খান (পদ্ম ফুল) ও শাম্মী আক্তার মুক্তি (কলস)।

এ উপজেলায় মোট ভোটার ১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৪২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার  ৬৫ হাজার ৩২৩ জন ও মহিলা ভোটার ৬৮ হাজার ৪১৯ জন। মোট ভোট কক্ষ ৩৪১ টি ও মোট কেন্দ্র ৫৩ টি।

সখীপুর উপজেলা : এ উপজেলায় চেয়ারমান পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বদ্বিতা করছেন। এরা হলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী জুলফিকার হায়দার কামাল (নৌকা),আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু সাইদ মিয়া (আনারস), ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) আব্দুল আলীম (আম), বিকল্পধারার প্রার্থী আবুল হাশেম (কুলা)।

ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন,ডি. এম. শরীফুল ইসলাম (তালা), ফজলুল হক বাপ্পা (টিয়া পাখি), মুহাম্মদ খলিলুর রহমান (বই), আমজাদ হোসেন (টিউবওয়েল), শফিউল ইসলাম (উড়োজাহাজ), শিবলী সাদিক (চশমা)। মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন, জাহানারা (প্রজাপতি), তাহমিনা পারভীন (কলস), রওমশন আরা আক্তার রিতা (পদ্ম ফুল) ও শাহিদা সুলতানা (ফুটবল)।

এ উপজেলায় মোট ভোটার ২ লাখ ১২ হাজার ৯৮৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৩১ হাজার ৭৫ জন ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ৯৮ হাজার ১২ জন। মোট ভোট কক্ষ ৫২৪ টি ও মোট কেন্দ্র ৬৯ টি।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস সুত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় মোট ভোটার ভোটার ২৭ লাখ ৭৯ হাজার ৬৯৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার  ১৩ লাখ ৭৫ হাজার ৯৫৫ জন ও মহিলা ভোটার ১৪ লাখ ৩ হাজার ৭৪২ জন। মোট ভোট কক্ষ ৬৭০৪ টি ও মোট কেন্দ্র ১০০৬ টি।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন অফিসার এএইচ এম কামরুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।  আগামী ২৯ তারিখ রাত ৮টার পর প্রচার-প্রচারণা শেষ হবে। প্রার্থীরা নিয়ম অনুযায়ী প্রচারণ চালাচ্ছেন কিনা সে লক্ষে ১২টি উপজেলায় ১২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ১১টি পৌরসভায় ১১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছেন।  আশা করছি বিগত নির্বাচনের মতো এবারের নির্বাচনও অবাধ এবং সুষ্ঠু হবে।

 

 

 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.