ব্রেকিং নিউজ

কালিহাতীতে সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রী গর্ভবতীর ঘটনায় থানায় মামলা

শুভ্র মজুমদার,কালিহাতী প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের কালিহাতী পৌরসভার দক্ষিণ বেতডোবা গ্রামে সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রী ৮ মাসের গর্ভবতী হওয়ার ঘটনায় ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামী করে কালিহাতী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে। মামলা নং-৪,তারিখ-০৬-০৪-১৯ ইং।

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ৮ অক্টোবর আনুমানিক রাত ৮টায় মামলার ৩নং আসামী কালিহাতী পৌরসভার দক্ষিণ বেতডোবা গ্রামের মৃত.যুগেশ চন্দ্র পালের ছেলে ষষ্টি চন্দ্র পাল(৫০) ওই ছাত্রীকে তার ঘরের ভিতর ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ছাত্রীটি লোক লজ্জার ভয়ে ঘটনাটি গোপন রাখে।

পরবর্তীতে গত ১০ অক্টোবর আনুমানিক বিকেল ৫ টায় ১নং আসামী একই গ্রামের রণ পালের ছেলে মিঠুন পাল (২২) ও ৪নং আসামী নগর পালের ছেলে রৌদ্র পাল(১৫)’র সহায়তায় ২নং আসামী নিমাই পালের ছেলে প্রশান্ত পাল (২১)’র বসত ঘরে ডেকে নিয়ে ওই ছাত্রীর পরিবার আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল থাকায় টাকার লোভ দেখিয়ে মিঠুন পাল ধর্ষণ করে। ছাত্রীটি ব্যথা সহ্য করতে না পেরে ঘরে শুয়ে থাকাবস্থায় একইদিন সন্ধ্যা ৬টায় টাকার প্রলোভন দেখিয়ে প্রশান্ত পাল ধর্ষণ করে।

পরে গত ১৭ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টায় রৌদ্র পালের সহায়তায় একই গ্রামের বিকাশ সুত্রধরের বসত ঘরে পূণরায় মিঠুন পাল টাকার লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ করে। একই দিন রাত ৮ টায় একই ঘরে পূণরায় প্রশান্ত পাল ধর্ষণ করে। ছাত্রীটি লোক লজ্জার ভয়ে ও টাকার লোভে পড়ে এ ঘটনাটিও গোপন রাখে। এরই এক পর্যায়ে ছাত্রীটির শারীরিক অবস্থা বেড়ে উঠা দেখে তার মা জিজ্ঞাসাবাদ করলে উপরোক্ত ঘটনাগুলো বিস্তারিত জানায়। ছাত্রীটি বর্তমানে ৮ মাসের গর্ভবতী।

বিষয়টি নিয়ে ছাত্রীটির মা তাদের আত্মীয় স্বজনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে তারা স্থানীয়ভাবে আপোষ মিমাংসা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন বলে মামলার বিবরণে জানা যায়। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মিমাংসা না হওয়ায় ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামী করে কালিহাতী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। মামলা নং-৪,তারিখ-০৬-০৪-১৯ ইং।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে কালিহাতী থানার ওসি মীর মোশারফ হোসেন বলেন, আসামীরা পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতার করার জন্য বিভিন্ন জায়গায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামীদের গ্রেফতার করা সম্বব হবে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.