ব্রেকিং নিউজ

টাঙ্গাইলে চন্দ্র-সূর্যের নামে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ৩ বছর ধরে ধর্ষণ

নিউজ ডেস্ক: বিয়ের নামে চন্দ্র-সূর্যকে স্বাক্ষী রেখে এক ছাত্রীকে তিন বছর ধরে ধর্ষণ করে এসেছে এক স্কুল শিক্ষক। ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ধোপাকান্দি গ্রামে।

এ ঘটনায় গত শনিবার (৩০ মার্চ) রাতে ওই শিক্ষক গোপনে ছাত্রীর বাড়িতে রাত যাপনকালে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী।

লম্পট ওই শিক্ষকের নাম মন্টু মিয়া। তিনি ধোপাকান্দি আদর্শ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক।

গোপালপুর থানা পুলিশ গণমাধ্যমকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানায়, প্রাইভেট পড়ার ছলে একই স্কুলের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে মন্টু মিয়া।

ওই ছাত্রীর অভিযোগ, মন্টু মিয়া তিন বছর আগে টাঙ্গাইল শহরে এক বন্ধুর বাসায় নিয়ে চন্দ্র-সূর্যকে সাক্ষী রেখে বিয়ে করেন। এরপর গোপনে গড়ে তোলে শারীরিক সম্পর্ক।

গত শনিবার রাতে মন্টু মিয়া গোপনে সখিনার বাড়িতে রাত যাপনকালে গ্রামবাসী তাকে আটক করে। পরে তাকে গণপিটুনি দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে আহত মন্টু মিয়াকে পুলিশ থানায় নিয়ে আসে।

এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা শেখ সাদী বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ মন্টু মিয়াকে  রবিবার আদালতে চালান দিলে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

এদিকে শিক্ষক মন্টুকে সাসপেন্ড এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্কুলের শিক্ষার্থীরা মিছিল সমাবেশ করেন। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এডভোকেট আব্দুুল গফুর বলেন, ‘ঘটনাটি খুব নিন্দনীয়। এমন ভণ্ড শিক্ষকের স্কুলে চাকরি করার অধিকার নেই। ম্যানেজিং কমিটির মিটিং ডেকে তার বিরুদ্ধে অতিদ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ওসি হাসান আল মামুন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘শিক্ষক মন্টু মিয়া দুই সন্তানের জনক। বিয়ের নামে প্রতারণা করে নাবলিকা ওই স্কুল ছাত্রীকে তিনি দীর্ঘ তিন বছর ধরে ধর্ষণ করে আসছিলেন। আজ রবিবার টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ধর্ষণের শিকার মেডিকেল পরীক্ষা হয়েছে।’

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.