প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের পর ২০ টাকা দিয়ে বিদায়!

নিউজ ডেস্ক: মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার যমুনার চরাঞ্চলে ১৪ বছরের এক মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে আব্দুর রহিম (৩০) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে।

অভিযুক্ত রহিম দৌলতপুর উপজেলার শিকদার পাড়া গ্রামের রহম আলী মোল্লার ছেলে এবং দুই সন্তানের পিতা। বর্তমানে রহিম পুলিশ পাহারায় দৌলতপুর উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নির্যাতিতা প্রতিবন্ধী কিশোরীর বড় বোন জানান, জন্মের পর থেকেই তার বোন মানসিক প্রতিবন্ধী।

গত মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে কোনো প্রয়োজনে প্রতিবেশী ফজর শেখের বাড়িতে যায় তার প্রতিবন্ধী বোন। বাড়ি ফাঁকা পেয়ে ফজর শেখের শ্যালক আব্দুর রহিম তাকে কৌশলে একটি ফাঁকা ঘরে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করেন। এ ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য শ্যালক আব্দুর রহিম তার বোনকে হাতে ২০ টাকা ধরিয়ে দেন। এরপর তার বোন হাতে ২০ টাকা নিয়ে কান্নাকাটি করতে করতে বাড়িতে আসে। কান্না করা ও টাকার কথা স্বজনরা জিজ্ঞাসা করলে ধর্ষণের কথা বলে দেয় তার ছোটবোন।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর গ্রামের লোকজন আব্দুর রহিমকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে আসেন এবং গ্রামের লোকজনের সামনে রহিমও ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন। এক পর্যায়ে গ্রামের লোকজন উত্তেজিত হয়ে রহিমকে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে তার স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুনীল কুমার কর্মকার জানান, ঘটনাটি শোনার পর বুধবার দুপুরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছেন তিনি। এরপর নির্যাতিত ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেন। মামলার ভিত্তিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুর রহিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে আসামিকে পুলিশ পাহারায় চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে এবং নির্যাতিতা ওই কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.