ব্রেকিং নিউজ

সখীপুরে ইউএনওর বিরুদ্ধে করা সেই মামলাটি প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আমিনুর রহমানের বিরুদ্ধে করা সেই মামলাটি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের সাবেক সাংসদ অনুপম শাহজাহান জয় ও তাঁর দুই আপন চাচা।

রোববার বেলা ১১টার দিকে সাবেক সাংসদের চাচা সখীপুর উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার কামাল টাঙ্গাইল আদালতে গিয়ে এ মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন। আদালত আগামী ২৬ মে মামলাটি প্রত্যাহার বিষয়ে আদেশ দেবেন বলে মামলার আইনজীবী ফজলুর রহমান খান এ প্রতিনিধিকে তথ্যটি নিশ্চিত করেন।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ঘেঁষে একতলা ভবনে দুটি দোকানের মালিকানা দাবি করে সাবেক সাংসদ অনুপম শাহজাহান জয়, সখীপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার কামাল ও চেয়ারম্যানের আপন ছোটভাই আবদুল আজিজ তালুকদার বাদী হয়ে গত ২৫ এপ্রিল টাঙ্গাইল তৃতীয় যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা করেন।

গত ২১ এপ্রিল সখীপুরের ইউএনও আমিনুর রহমান মুক্তিযোদ্ধা সংসদের বর্তমান প্রশাসক হিসেবে ওই দুটি দোকান মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের দাবি করে ওই দুই ভাড়াটেকে এক বছরের ভাড়া পরিশোধের জন্য নোটিশ দেয়। ওই নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতেই এক শতাংশ জমি ও ওই দুই দোকানের মালিকানা দাবি করে তাঁরা ইউএনওর বিরুদ্ধে ওই মামলাটি করেছিল।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সখীপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ঘেঁষে উত্তর পাশে এক শতাংশ জমির ওপর এক তলা ভবন করে দুটি দোকান প্রায় ১০ বছর ধরে ভাড়া দিয়েছেন সাবেক সাংসদ অনুপম শাহজাহান ও তাঁর দুই চাচা। দুই ভাড়াটিয়া জুলহাস উদ্দিন ও আমিনুল ইসলাম সময়মতো তাঁদের ভাড়াও পরিশোধ করছেন। হঠাৎ করে ইউএনও আমিনুর রহমান ওই দুটি দোকান মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের দাবি করে ভাড়াটেদের কাছে এক বছরের ভাড়া চেয়ে নোটিশ দেয়। ওই নোটিশ পেয়ে তাঁরা ওই জমির মালিকানা দাবি করে আদালতে মামলা করেন।

এ বিষয়ে রোববার বেলা তিনটায় সাবেক সাংসদ অনুপম শাহজাহান জয় ও তাঁর আপন চাচা উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার কামালের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁরা উভয়ই মামলাটি প্রত্যাহারের কথা স্বীকার করলেও এ বিষয়ে তাঁরা আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের বর্তমান প্রশাসক আমিনুর রহমান আজ রোববার দুপুরে মুঠোফোনে বলেন, মামলাটি প্রত্যাহার করার কথা শুনেছি। তবে এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.